ঢাকা ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের মেয়াদের নিয়োগ ও বদলির নথি তলব করল দুদক অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনার গুলিতে দুই ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত ডিএসইতে সূচকের চাঙ্গা ভাব, লেনদেন ৭২০ কোটি টাকা পার ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২৫২ বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের প্রয়াণে শোক ও দোয়া মাহফিল চরভদ্রাসনে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবক সমাবেশ শাল্লায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর ৪ দিন অনশন, সমাধানে ব্যর্থ স্থানীয়রা বড়লেখায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে কদমতলা ইউনিয়নের দুই বিএনপি নেতার মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

নির্বাচন কমিশন ও প্রিজাইডিং অফিসার যেসব ক্ষেত্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ করতে পারেন

#
news image

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে যেসব ক্ষেত্রে নির্বচন কমিশন ও প্রিজাইডিং অফিসার ভোটগ্রহণ বন্ধ করতে পারেন এ সম্পর্কিত এক পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের উপসচিব নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত পরিপত্রটি বৃহস্পতিবার জারি করা হয়। 

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কারণে যদি কোন সময় ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত বা বাধাগ্রস্ত হয় এবং তা ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনরায় শুরু করা সম্ভব না হয়, তা হলে তিনি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৫ এর বিধান (পরিশিষ্ট-ক) অনুসারে অনতিবিলম্বে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দিবেন এবং রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করিবেন। ভোটকেন্দ্রে ব্যবহৃত কোন স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স প্রিজাইডিং অফিসারের হেফাজত হতে বেআইনীভাবে ও জোরপূর্বক অপসারণ করা হলে বা দুর্ঘটনাক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট করা হলে বা হারিয়ে গেলে বা এরূপ ক্ষতিগ্রস্ত বা বিকৃত হলে বা এই পরিমাণ হস্তক্ষেপ করা হয় যে, সেই কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে প্রিজাইডিং অফিসার ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেবেন এবং রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করবেন। সেক্ষেত্রে বন্ধ ঘোষিত কেন্দ্রের ভোট গণনা করা যাবে না। রিটার্নিং অফিসার অনতিবিলম্বে উক্ত ঘটনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের নিকট একটি প্রতিবেদন পেশ করবেন এবং যথা শিগগির সম্ভব, নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিয়ে নতুন ভাবে ভোটগ্রহণের জন্য একটি তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করবেন।’

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘যে ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ হবে সেই ভোটকেন্দ্রের ফলাফল ব্যতীত যদি উক্ত নির্বাচনী এলাকার ফলাফল অবশিষ্ট ভোটকেন্দ্রের ফলাফল দ্বারা নির্ধারিত না হয়, তা হলে নির্বাচন কমিশন উক্ত ভোটকেন্দ্রে পুনঃভোটগ্রহণের জন্য রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করবেন। রিটার্নিং অফিসার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশক্রমে উক্ত ভোটকেন্দ্রে/ভোটকেন্দ্রসমূহে ভোটগ্রহণের জন্য একটি দিন ও সময় ধার্য করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবেন। এরূপ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রাধীন সকল ভোটার ভোট দিতে পারবেন।’

এ ছাড়া কতিপয় ক্ষেত্রে কমিশনের নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা বিষয়ে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৯১ এর বিধান অনুসারে কমিশনের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, নির্বাচনে বল প্রয়োগ, ভীতি-প্রদর্শন এবং চাপ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিরাজমান অপকর্মের কারণে যুক্তিযুক্ত ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষভাবে এবং আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিতকরা সম্ভব নয় বা দ্বৈব দূর্বিপাকের কারণে উক্ত নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব হবে না, সেক্ষেত্রে যে কোন ভোটকেন্দ্র বা ক্ষেত্রমত, সম্পূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনের যে কোন পর্যায়ে ভোটগ্রহণসহ নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবেন।’ 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৯ জানুয়ারি, ২০২৬,  10:14 PM

news image

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে যেসব ক্ষেত্রে নির্বচন কমিশন ও প্রিজাইডিং অফিসার ভোটগ্রহণ বন্ধ করতে পারেন এ সম্পর্কিত এক পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের উপসচিব নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত পরিপত্রটি বৃহস্পতিবার জারি করা হয়। 

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘প্রিজাইডিং অফিসারের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত কারণে যদি কোন সময় ভোটগ্রহণ বিঘ্নিত বা বাধাগ্রস্ত হয় এবং তা ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনরায় শুরু করা সম্ভব না হয়, তা হলে তিনি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ২৫ এর বিধান (পরিশিষ্ট-ক) অনুসারে অনতিবিলম্বে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দিবেন এবং রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করিবেন। ভোটকেন্দ্রে ব্যবহৃত কোন স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স প্রিজাইডিং অফিসারের হেফাজত হতে বেআইনীভাবে ও জোরপূর্বক অপসারণ করা হলে বা দুর্ঘটনাক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে নষ্ট করা হলে বা হারিয়ে গেলে বা এরূপ ক্ষতিগ্রস্ত বা বিকৃত হলে বা এই পরিমাণ হস্তক্ষেপ করা হয় যে, সেই কেন্দ্রের ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে প্রিজাইডিং অফিসার ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেবেন এবং রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করবেন। সেক্ষেত্রে বন্ধ ঘোষিত কেন্দ্রের ভোট গণনা করা যাবে না। রিটার্নিং অফিসার অনতিবিলম্বে উক্ত ঘটনা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের নিকট একটি প্রতিবেদন পেশ করবেন এবং যথা শিগগির সম্ভব, নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিয়ে নতুন ভাবে ভোটগ্রহণের জন্য একটি তারিখ ও স্থান নির্ধারণ করবেন।’

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘যে ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বন্ধ হবে সেই ভোটকেন্দ্রের ফলাফল ব্যতীত যদি উক্ত নির্বাচনী এলাকার ফলাফল অবশিষ্ট ভোটকেন্দ্রের ফলাফল দ্বারা নির্ধারিত না হয়, তা হলে নির্বাচন কমিশন উক্ত ভোটকেন্দ্রে পুনঃভোটগ্রহণের জন্য রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করবেন। রিটার্নিং অফিসার নির্বাচন কমিশনের নির্দেশক্রমে উক্ত ভোটকেন্দ্রে/ভোটকেন্দ্রসমূহে ভোটগ্রহণের জন্য একটি দিন ও সময় ধার্য করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবেন। এরূপ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রাধীন সকল ভোটার ভোট দিতে পারবেন।’

এ ছাড়া কতিপয় ক্ষেত্রে কমিশনের নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করার ক্ষমতা বিষয়ে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর ৯১ এর বিধান অনুসারে কমিশনের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, নির্বাচনে বল প্রয়োগ, ভীতি-প্রদর্শন এবং চাপ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিরাজমান অপকর্মের কারণে যুক্তিযুক্ত ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষভাবে এবং আইন অনুযায়ী নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিতকরা সম্ভব নয় বা দ্বৈব দূর্বিপাকের কারণে উক্ত নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব হবে না, সেক্ষেত্রে যে কোন ভোটকেন্দ্র বা ক্ষেত্রমত, সম্পূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনের যে কোন পর্যায়ে ভোটগ্রহণসহ নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবেন।’