ঢাকা ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাতি সরঞ্জামসহ ৭ জন আটক ষাট গম্বুজ মসজিদসহ পুরাকীর্তি রক্ষায় উদ্যোগ চাইলেন এমপি রাহাদ সেই উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে কারণ দর্শানের নোটিশ ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৪৯, গেজেট কাল বসুরহাটে ফয়জুন্নেছা আহমেদ ফাউন্ডেশনের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত কোনাবাড়িতে মরহুম অধ্যাপক এম এ মান্নান স্মরণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত  বর্তমানে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই : সালাহউদ্দিন আহমদ হেপাটাইটিস নির্মূলে বিশ্ব খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে: ডব্লিউএইচও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির অডিটে ৭২ হাজার ৩৪১ আয়কর রিটার্ন

জমি দখল দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ: দুই জন গুরুতর আহত, মামলার আসামির তালিকায় প্রতিবন্ধী যুবক ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া ছাত্র

#
news image

জমি দখলের দ্বন্দ্বে গাইবান্ধায়  দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে উভয় পক্ষের হামলায় রুবেল মিয়া (৩০) নামের এক যুবকের হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন ও গোলাম হাফিজ (২৫) নামের অপর যুবকের মাথায় এবং হাতে গুরত্বর আঘাতের ঘটনায় সদর থানায় পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানাযায় উভয় পক্ষের ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত সহ মোট ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মতিয়ার রহমান ও আছমা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। 

সরজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সূত্রে জানাযায়,সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে জমি দখলের দ্বন্দ কেন্দ্র করে গাইবান্ধা সদর উপজেলার শাপলা মেইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত রুবেল মিয়া (৩০) পৌরসভার মহুরি পাড়ার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মোকাব্বর মিয়ার ছেলে, আহত অপর যুবক গোলাম হাফিজ(২৫)গাইবান্ধা সদরের সুখনগর নারায়ণপুর(বটতলা)এলাকার মৃত আব্বাস আলীর ছেলে। 

দীর্ঘদিন যাবৎ  উভয় পক্ষের মধ্যে পারিবারিক জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিনে জমি দখল ও জমিতে থাকা ঘর নির্মাণ এবং ভাংচুর করায় দফায় দফায় হামলায় জড়িয়ে পড়ে মোশাররফ গং ও একই এলাকার বাবু গংরা। জমিতে থাকা ঘর ভাংচুর করতে গেলে বাঁধাদেয় বাবুসহ বাবুগংদের লোকজন, তখন উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে বাবু গংদের হামলায় ঘটনাস্থলে রুবেল মিয়া (৩০) নামের এক যুবকের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, প্রতিপক্ষ মোশাররফসহ মোশাররফ গংদেব ধারালো অস্ত্রের আঘাতে  ঘটনাস্থলে গোলাম হাফিজ (২৫) নামের অপর যুবক গুরত্বর আহত হোন।  

আহত রুবেল মিয়াকে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরবর্তী সময়ে আহত রুবেল মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করেন। 
আহত অপর যুবক গোলাম হাফিজকে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে  আহত রুবেল মিয়ার লোকজন ও মোশারফ গংদের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালের ভিতরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার উপর হামলা চালায় এতে গোলাম হাফিজ আবারও গুরুত্বর আহত হোন। 
আহত গোলাম হাফিজকে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক  উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রুবেল মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করেন। 
বর্তমানে আহত রুবেল মিয়া ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন এবং আহত অপর যুবক গোলাম হাফিজ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। 
  
উভয় পক্ষের মামলায় নামীয় ও অজ্ঞাত ৩৭ জন আসামি করা হলেও বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী যুবক মাহাবুব ও ঘটনার দিন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেধাবী ছাত্রকে ঘটনা স্থলে না থেকেও আসামি করায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। 


মতিউর রহমানের দায়ের করা মামলায় ইতিমধ্যে ৩ জন আসামী গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ। প্রতিপক্ষ আছমা বেগমের দায়ের করা অপর মামলাটির এখন পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। 

এবিষয়ে সদর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান উভয় পক্ষের হামলায় দুইজন আহত হয়েছেন। থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে ঘটনার দিনে তিনজনকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। দুটি মামলার আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। মামলায় কোন নির্দোষ ব্যক্তির নাম থাকলে  তদন্তের মাধ্যমে তাদের বাদ দিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

তানিন আফরিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধি :

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫,  10:05 PM

news image

জমি দখলের দ্বন্দ্বে গাইবান্ধায়  দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে উভয় পক্ষের হামলায় রুবেল মিয়া (৩০) নামের এক যুবকের হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন ও গোলাম হাফিজ (২৫) নামের অপর যুবকের মাথায় এবং হাতে গুরত্বর আঘাতের ঘটনায় সদর থানায় পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানাযায় উভয় পক্ষের ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত সহ মোট ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মতিয়ার রহমান ও আছমা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। 

সরজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সূত্রে জানাযায়,সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে জমি দখলের দ্বন্দ কেন্দ্র করে গাইবান্ধা সদর উপজেলার শাপলা মেইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত রুবেল মিয়া (৩০) পৌরসভার মহুরি পাড়ার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মোকাব্বর মিয়ার ছেলে, আহত অপর যুবক গোলাম হাফিজ(২৫)গাইবান্ধা সদরের সুখনগর নারায়ণপুর(বটতলা)এলাকার মৃত আব্বাস আলীর ছেলে। 

দীর্ঘদিন যাবৎ  উভয় পক্ষের মধ্যে পারিবারিক জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিনে জমি দখল ও জমিতে থাকা ঘর নির্মাণ এবং ভাংচুর করায় দফায় দফায় হামলায় জড়িয়ে পড়ে মোশাররফ গং ও একই এলাকার বাবু গংরা। জমিতে থাকা ঘর ভাংচুর করতে গেলে বাঁধাদেয় বাবুসহ বাবুগংদের লোকজন, তখন উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে বাবু গংদের হামলায় ঘটনাস্থলে রুবেল মিয়া (৩০) নামের এক যুবকের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, প্রতিপক্ষ মোশাররফসহ মোশাররফ গংদেব ধারালো অস্ত্রের আঘাতে  ঘটনাস্থলে গোলাম হাফিজ (২৫) নামের অপর যুবক গুরত্বর আহত হোন।  

আহত রুবেল মিয়াকে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরবর্তী সময়ে আহত রুবেল মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে প্রেরণ করেন। 
আহত অপর যুবক গোলাম হাফিজকে চিকিৎসার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে  আহত রুবেল মিয়ার লোকজন ও মোশারফ গংদের লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালের ভিতরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার উপর হামলা চালায় এতে গোলাম হাফিজ আবারও গুরুত্বর আহত হোন। 
আহত গোলাম হাফিজকে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক  উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রুবেল মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করেন। 
বর্তমানে আহত রুবেল মিয়া ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন এবং আহত অপর যুবক গোলাম হাফিজ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। 
  
উভয় পক্ষের মামলায় নামীয় ও অজ্ঞাত ৩৭ জন আসামি করা হলেও বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে প্রতিবন্ধী যুবক মাহাবুব ও ঘটনার দিন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেধাবী ছাত্রকে ঘটনা স্থলে না থেকেও আসামি করায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। 


মতিউর রহমানের দায়ের করা মামলায় ইতিমধ্যে ৩ জন আসামী গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ। প্রতিপক্ষ আছমা বেগমের দায়ের করা অপর মামলাটির এখন পর্যন্ত কোন আসামি গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। 

এবিষয়ে সদর থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল-মামুন জানান উভয় পক্ষের হামলায় দুইজন আহত হয়েছেন। থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে ঘটনার দিনে তিনজনকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়। দুটি মামলার আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। মামলায় কোন নির্দোষ ব্যক্তির নাম থাকলে  তদন্তের মাধ্যমে তাদের বাদ দিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।