বাগেরহাটে জাপান প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, ২০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, 10:02 PM
বাগেরহাটে জাপান প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, ২০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট
বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের সুন্দরঘোনা এলাকায় এক জাপান প্রবাসীর বাড়িতে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ডাকাতির শিকার পরিবারের মালিক খন্দকার আবু জাফর, তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। তার দুই ছেলে—বড় ছেলে সাবেক প্রবাসী খন্দকার মাইনুল ইসলাম এবং ছোট ছেলে খন্দকার রবিউল ইসলাম (জাপান প্রবাসী)।
খন্দকার আবু জাফর জানান, ঘটনার সময় বাড়িতে তিনি, তার স্ত্রী এবং বড় ছেলে ও তার স্ত্রী অবস্থান করছিলেন। ভোর চারটার দিকে বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘুম থেকে উঠলে কয়েকজন ডাকাত অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে। পরে তার হাত, পা ও মুখ বেঁধে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও বেঁধে ফেলে। এরপর বসতঘরের বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করে প্রায় ২০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩ লাখ টাকা লুট করে নেয় ডাকাতরা।
বড় ছেলে সাবেক প্রবাসী খন্দকার মাইনুল ইসলাম জানান, ডাকাতরা তার কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। অস্ত্রের মুখে তাকে ও তার স্ত্রীকে জিম্মি করে হাত ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে তার কক্ষের ড্রয়ার ভেঙে প্রায় ৬ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ সোয়া ৩ লাখ টাকা লুট করে নেয়।
খন্দকার আবু জাফরের স্ত্রী জাহানারা বেগম জানান, ডাকাতরা তার কক্ষে ঢুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে কম্বল দিয়ে মুখ ঢেকে রাখে। তার কক্ষ থেকে মেয়ের প্রায় ৭ ভরি এবং তার নিজের ৩ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নগদ প্রায় ৪০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, ডাকাত দলের মধ্যে ৬ জনসহ ১ জন মেয়ে ছিলো ।
বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, 10:02 PM
বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের সুন্দরঘোনা এলাকায় এক জাপান প্রবাসীর বাড়িতে দুঃসাহসিক ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ডাকাতির শিকার পরিবারের মালিক খন্দকার আবু জাফর, তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা। তার দুই ছেলে—বড় ছেলে সাবেক প্রবাসী খন্দকার মাইনুল ইসলাম এবং ছোট ছেলে খন্দকার রবিউল ইসলাম (জাপান প্রবাসী)।
খন্দকার আবু জাফর জানান, ঘটনার সময় বাড়িতে তিনি, তার স্ত্রী এবং বড় ছেলে ও তার স্ত্রী অবস্থান করছিলেন। ভোর চারটার দিকে বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘুম থেকে উঠলে কয়েকজন ডাকাত অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে। পরে তার হাত, পা ও মুখ বেঁধে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও বেঁধে ফেলে। এরপর বসতঘরের বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করে প্রায় ২০ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩ লাখ টাকা লুট করে নেয় ডাকাতরা।
বড় ছেলে সাবেক প্রবাসী খন্দকার মাইনুল ইসলাম জানান, ডাকাতরা তার কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। অস্ত্রের মুখে তাকে ও তার স্ত্রীকে জিম্মি করে হাত ও মুখ বেঁধে ফেলে। পরে তার কক্ষের ড্রয়ার ভেঙে প্রায় ৬ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ সোয়া ৩ লাখ টাকা লুট করে নেয়।
খন্দকার আবু জাফরের স্ত্রী জাহানারা বেগম জানান, ডাকাতরা তার কক্ষে ঢুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে কম্বল দিয়ে মুখ ঢেকে রাখে। তার কক্ষ থেকে মেয়ের প্রায় ৭ ভরি এবং তার নিজের ৩ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নগদ প্রায় ৪০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, ডাকাত দলের মধ্যে ৬ জনসহ ১ জন মেয়ে ছিলো ।
বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুম খান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।