ফারুক খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার গাছায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ
মোঃ ইকবাল হোসাইন :
২০ নভেম্বর, ২০২৫, 6:50 PM
ফারুক খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার গাছায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ
বিএনপির শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীদের পুনরায় দলে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগের অংশ হিসেবে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে তার প্রাথমিক সদস্য পদ পুনর্বহালের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
দলীয় সূত্র থেকে জানা যায়, বিগত ২০২৩ সালের গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় ফারুক খানকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। বহিষ্কারাদেশ বহাল থাকলেও তিনি দলের বিভিন্ন কর্মসূচি এবং ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে রাজপথে অবস্থান ধরে রাখেন।
বিএনপির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে ফারুক খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের খবর প্রকাশ হলে গাছা থানার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ মিছিল বের হয় এবং স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মিষ্টি বিতরণ করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে গাজীপুর মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও গাছা থানার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী আবুল কাশেম বলেন, “ফারুক খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে গাছা থানা বিএনপিতে নতুন উচ্ছ্বাস ও ঐক্যের সঞ্চার করেছে। দেশনায়ক তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ যে আমাদের দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে পুনরায় দলে ফিরিয়ে নিয়েছেন এ জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এই সিদ্ধান্তে প্রমাণ হয়েছে, বিএনপি কখনোই ত্যাগী ও নিষ্ঠাবান নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে ভুলে যায় না।”
ফারুক খান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমার ওপর থেকে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় দেশনায়ক তারেক রহমান, সংগ্রামী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই। দলের প্রতি আমার বিশ্বাস সবসময় অটল ছিলো। বহিষ্কৃত অবস্থায়ও আমি দলের আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। বিএনপি আমাকে যে সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছে, তার মর্যাদা রক্ষা করতে আমি সর্বদা দল ও নেতৃত্বের নির্দেশনা মেনে চলব। এই সিদ্ধান্ত শুধু আমার নয়, গাছা থানা বিএনপির কর্মীদের আত্মবিশ্বাস আরও দৃঢ় করেছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে ত্যাগীদের পাশে সব সময় ছিলেন ও এখনো আছেন আমাদের পাশে আছে এটি তারই প্রমাণ। আমি কৃতজ্ঞ এবং আগের চেয়েও বেশি নিষ্ঠার সঙ্গে সংগঠনের কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখব।”
মোঃ ইকবাল হোসাইন :
২০ নভেম্বর, ২০২৫, 6:50 PM
বিএনপির শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কৃত নেতাকর্মীদের পুনরায় দলে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগের অংশ হিসেবে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে তার প্রাথমিক সদস্য পদ পুনর্বহালের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
দলীয় সূত্র থেকে জানা যায়, বিগত ২০২৩ সালের গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় ফারুক খানকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। বহিষ্কারাদেশ বহাল থাকলেও তিনি দলের বিভিন্ন কর্মসূচি এবং ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে রাজপথে অবস্থান ধরে রাখেন।
বিএনপির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে ফারুক খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের খবর প্রকাশ হলে গাছা থানার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ মিছিল বের হয় এবং স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মিষ্টি বিতরণ করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে গাজীপুর মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও গাছা থানার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী আবুল কাশেম বলেন, “ফারুক খানের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারে গাছা থানা বিএনপিতে নতুন উচ্ছ্বাস ও ঐক্যের সঞ্চার করেছে। দেশনায়ক তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ যে আমাদের দীর্ঘদিনের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে পুনরায় দলে ফিরিয়ে নিয়েছেন এ জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এই সিদ্ধান্তে প্রমাণ হয়েছে, বিএনপি কখনোই ত্যাগী ও নিষ্ঠাবান নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে ভুলে যায় না।”
ফারুক খান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “আমার ওপর থেকে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় দেশনায়ক তারেক রহমান, সংগ্রামী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই। দলের প্রতি আমার বিশ্বাস সবসময় অটল ছিলো। বহিষ্কৃত অবস্থায়ও আমি দলের আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। বিএনপি আমাকে যে সম্মান ফিরিয়ে দিয়েছে, তার মর্যাদা রক্ষা করতে আমি সর্বদা দল ও নেতৃত্বের নির্দেশনা মেনে চলব। এই সিদ্ধান্ত শুধু আমার নয়, গাছা থানা বিএনপির কর্মীদের আত্মবিশ্বাস আরও দৃঢ় করেছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে ত্যাগীদের পাশে সব সময় ছিলেন ও এখনো আছেন আমাদের পাশে আছে এটি তারই প্রমাণ। আমি কৃতজ্ঞ এবং আগের চেয়েও বেশি নিষ্ঠার সঙ্গে সংগঠনের কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখব।”