ঢাকা ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা বিপিএলের ফাইনালে রাজশাহীর বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে চট্টগ্রাম

ফাটলধরা ভবনে চলছে পাঠদান

#
news image

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার ৩নং পানছড়ি ইউপিতে অবস্থিত গোলক প্রতিমাছড়া মুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বাইরে থেকে ঢালাই-পলেস্তারা ঠিক থাকলেও ভেতরের চিত্র পুরোই উল্টো—দেয়ালজুড়ে প্রসারিত বড় বড় ফাটল, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার ভয়, কোথাও কোথাও ধসে যাওয়ার আশঙ্কা। বর্ষায় শিশুদের বই-খাতা একাকার ভিজে গিয়েছিল; শুকনো মৌসুমেও রেহাই নেই—মাঝে মাঝেই ধুলো আর পলেস্তারা ঝরে পড়ে।

এই দৃশ্যের মধ্যেই ক্লাসে বসে থাকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। পাঠ্যবই খুললেও তাদের চোখ বারবার চলে যায় ফাটলধরা দেয়ালে। মনে একটাই ভাবনা—“এই বুঝি মাথার ওপর কিছু ভেঙে পড়লো।” শ্রেণিকক্ষে থাকার পুরোটা সময়ই তারা ভয় আর আতঙ্কে কাটায়। তাদের ছোট্ট দাবি—নতুন ভবন। যাতে অন্তত নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে না হয়, নিশ্চিন্তে পড়তে পারে।

সুজিত চাকমা, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানান, “আমি বেশি দিন হয়নি যোগ দিয়েছি। কিন্তু এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা যে কখন কী হয় বলা যায় না। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

শান্তিপ্রিয় চাকমা, এলাকার কার্বারি বলেন, বছরের পর বছর এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

এডিন চাকমা, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, পানছড়ি বলেন, বিদ্যালয়টি ঝুঁকিপূর্ণ—এটা আমরা জানি। গত দুই অর্থবছর ধরে আবেদন দিয়েছি। আশা করছি চলমান অর্থবছরেই বাস্তবায়ন হবে।

পানছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি :

১৮ নভেম্বর, ২০২৫,  1:17 AM

news image
ফাটলধরা গোলক প্রতিমা মুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার ৩নং পানছড়ি ইউপিতে অবস্থিত গোলক প্রতিমাছড়া মুখ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বাইরে থেকে ঢালাই-পলেস্তারা ঠিক থাকলেও ভেতরের চিত্র পুরোই উল্টো—দেয়ালজুড়ে প্রসারিত বড় বড় ফাটল, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার ভয়, কোথাও কোথাও ধসে যাওয়ার আশঙ্কা। বর্ষায় শিশুদের বই-খাতা একাকার ভিজে গিয়েছিল; শুকনো মৌসুমেও রেহাই নেই—মাঝে মাঝেই ধুলো আর পলেস্তারা ঝরে পড়ে।

এই দৃশ্যের মধ্যেই ক্লাসে বসে থাকে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। পাঠ্যবই খুললেও তাদের চোখ বারবার চলে যায় ফাটলধরা দেয়ালে। মনে একটাই ভাবনা—“এই বুঝি মাথার ওপর কিছু ভেঙে পড়লো।” শ্রেণিকক্ষে থাকার পুরোটা সময়ই তারা ভয় আর আতঙ্কে কাটায়। তাদের ছোট্ট দাবি—নতুন ভবন। যাতে অন্তত নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে না হয়, নিশ্চিন্তে পড়তে পারে।

সুজিত চাকমা, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানান, “আমি বেশি দিন হয়নি যোগ দিয়েছি। কিন্তু এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা যে কখন কী হয় বলা যায় না। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

শান্তিপ্রিয় চাকমা, এলাকার কার্বারি বলেন, বছরের পর বছর এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে পাঠদান। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।

এডিন চাকমা, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, পানছড়ি বলেন, বিদ্যালয়টি ঝুঁকিপূর্ণ—এটা আমরা জানি। গত দুই অর্থবছর ধরে আবেদন দিয়েছি। আশা করছি চলমান অর্থবছরেই বাস্তবায়ন হবে।