নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপি'র মনোনয়ন দৌড়ে অগ্রসরমান : শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম
মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :
০৩ নভেম্বর, ২০২৫, 5:08 PM
নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপি'র মনোনয়ন দৌড়ে অগ্রসরমান : শিল্পপতি ফখরুল ইসলাম
বিএনপি’র আসন্ন মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে—দলের প্রার্থী বাছাইয়ে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা, গণসংযোগ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে। এই তিনটি মানদণ্ডে মূল্যায়ন করলে নোয়াখালী-৫ আসনে শিল্পপতি ও সমাজসেবক আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম এগিয়ে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিএনপি’র একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবে ফখরুল ইসলাম স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি দলের নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন এবং প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের সমস্যায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন। করোনাকালীন সময়েও তিনি মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেন, যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়। এলাকার শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর নিয়মিত অংশগ্রহণ তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে একজন বিশ্বাসযোগ্য ও জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
এই আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন—সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি’র সহ-পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ,সাবেক এমপি হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ,সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার পারভীন কাওসার মুন্নী, সাবেক ছাত্রদল নেতা নুরুল আফসার বাহাদুর ও জেদ্দা বিএনপি নেতা কেফায়েত উল্যাহ চৌধুরী কিছমত।
তবে, স্থানীয় জনমত বলছে—জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক, এলাকায় নিয়মিত উপস্থিতি এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার দিক থেকে আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম অন্যদের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন।
সরকারী মুজিব কলেজের ৯০ দশকের সাবেক ছাত্রদল নেত্রী ও বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার পারভীন কাওসার মুন্নী ২০১৯ সাল থেকে বিএনপি ঘরানার সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় তিনি অসহায়, কর্মহীন ও গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ান, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
অন্য প্রার্থীদের অবস্থান বিএনপি’র সহ-পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ উপজেলা বিএনপিকে সংগঠিত রাখতে মাঠে থাকলেও সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে সীমিত।
সাবেক এমপি হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ মাঝে মধ্যে দলীয় কার্যক্রমে অংশ নিলেও নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করতে পারেননি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অন্যদিকে, নুরুল আফসার বাহাদুর ও কিছমত চৌধুরী পূজা মণ্ডপে পরিদর্শন করে পূজারীদের অনুদান ও নদী ভাঙ্গন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ততের সহযোগিতা এবং মাঝে মধ্যে গণসংযোগে দেখা গেলেও তাঁদের সঙ্গে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় পর্যায়ের তেমন সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়নি।
তারেক রহমানের ঘোষিত মানদণ্ড—জনপ্রিয়তা, জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা—এই তিন দিক থেকে বিশ্লেষণ করলে আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম বর্তমানে মনোনয়নের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিকরা বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
তাঁর দীর্ঘদিনের সামাজিক কর্মকাণ্ড, মানবিক উদ্যোগ ও দলের প্রতি নিষ্ঠা তাঁকে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে এসেছে।
মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :
০৩ নভেম্বর, ২০২৫, 5:08 PM
বিএনপি’র আসন্ন মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে—দলের প্রার্থী বাছাইয়ে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা, গণসংযোগ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে। এই তিনটি মানদণ্ডে মূল্যায়ন করলে নোয়াখালী-৫ আসনে শিল্পপতি ও সমাজসেবক আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম এগিয়ে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিএনপি’র একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা হিসেবে ফখরুল ইসলাম স্থানীয় রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি দলের নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন এবং প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের সমস্যায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন। করোনাকালীন সময়েও তিনি মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করেন, যা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়। এলাকার শিক্ষা, চিকিৎসা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর নিয়মিত অংশগ্রহণ তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে একজন বিশ্বাসযোগ্য ও জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
এই আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন—সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি’র সহ-পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ,সাবেক এমপি হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ,সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার পারভীন কাওসার মুন্নী, সাবেক ছাত্রদল নেতা নুরুল আফসার বাহাদুর ও জেদ্দা বিএনপি নেতা কেফায়েত উল্যাহ চৌধুরী কিছমত।
তবে, স্থানীয় জনমত বলছে—জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক, এলাকায় নিয়মিত উপস্থিতি এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার দিক থেকে আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম অন্যদের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন।
সরকারী মুজিব কলেজের ৯০ দশকের সাবেক ছাত্রদল নেত্রী ও বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার পারভীন কাওসার মুন্নী ২০১৯ সাল থেকে বিএনপি ঘরানার সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় তিনি অসহায়, কর্মহীন ও গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ান, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
অন্য প্রার্থীদের অবস্থান বিএনপি’র সহ-পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ উপজেলা বিএনপিকে সংগঠিত রাখতে মাঠে থাকলেও সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে সীমিত।
সাবেক এমপি হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ মাঝে মধ্যে দলীয় কার্যক্রমে অংশ নিলেও নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করতে পারেননি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অন্যদিকে, নুরুল আফসার বাহাদুর ও কিছমত চৌধুরী পূজা মণ্ডপে পরিদর্শন করে পূজারীদের অনুদান ও নদী ভাঙ্গন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ততের সহযোগিতা এবং মাঝে মধ্যে গণসংযোগে দেখা গেলেও তাঁদের সঙ্গে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় পর্যায়ের তেমন সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়নি।
তারেক রহমানের ঘোষিত মানদণ্ড—জনপ্রিয়তা, জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা—এই তিন দিক থেকে বিশ্লেষণ করলে আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম বর্তমানে মনোনয়নের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিকরা বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
তাঁর দীর্ঘদিনের সামাজিক কর্মকাণ্ড, মানবিক উদ্যোগ ও দলের প্রতি নিষ্ঠা তাঁকে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে একটি শক্ত অবস্থানে নিয়ে এসেছে।