ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচন সঠিক সময়ে হওয়ার পথ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করছে : ফখরুল

#
news image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচন সঠিক সময়ে হওয়ার পথ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ‘মহাকালের মহানায়ক শহীদ জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক ৬৪০ পৃষ্ঠার গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। 

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা অন্তর্র্বর্তী সরকারকে সহযোগিতা দিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। কিন্তু হতাশার সঙ্গে লক্ষ্য করি, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচন যেন পিছিয়ে যায়, সেই চেষ্টা করছে। এটি ঠিক হচ্ছে না। এখন দ্রুত একটি রাজনৈতিক সরকার প্রয়োজন, কারণ দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি ও শিক্ষা সবকিছু নির্ভর করছে নির্বাচিত সরকারের ওপর।’

তিনি জাতীয় সংস্কার কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘অল্প সময়ের মধ্যে তারা অন্তত কিছু সংস্কারের কাজ শেষ করেছেন। এটি প্রয়োজন ছিল পরিবর্তনের পরে।’

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ধারাবাহিক সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান ২০২২ সালে যে ৩১ দফা দিয়েছিলেন, তার ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সংস্কার এনেছি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি এবং বেগম খালেদা জিয়ার ২০১৬ সালের ভিশন-২০৩০ এর কাজের ধারাবাহিকতা এই সংস্কারগুলোতে প্রতিফলিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, বিএনপির জন্মই সংস্কারের মধ্যে। একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় ব্যবস্থায় রূপান্তরের পেছনে বিএনপির অবদান রয়েছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, জনগণের মৌলিক অধিকার, মেয়েদের শিক্ষার অধিকার- সবই বিএনপি ও বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি অসম্মান এবং ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা নিয়ে ফখরুল বলেন, ‘জিয়ার নাম মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাস তাকে ধারণ করেছে। কিউবার প্রেসিডেন্ট কাস্ত্রোর কথায়, ÔHistory will absorb.Õ শহীদ জিয়াউর রহমানের সঠিক মূল্যায়ন ইতিহাস করবে।’

ফখরুল তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ‘তিনি স্বাধীনতা, মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র এবং দেশের উন্নয়নের পতাকা তুলে ধরেছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা হবে এবং অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণ হবে।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম। 

সঞ্চালনা করেন প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশররফ হোসেন। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আলমগীর পাভেল, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, জাসাসের সাবেক সভাপতি রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, কলামিস্ট সাখাওয়াত হোসেন সায়ান্থ এবং মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৩ অক্টোবর, ২০২৫,  10:47 PM

news image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচন সঠিক সময়ে হওয়ার পথ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত গ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ‘মহাকালের মহানায়ক শহীদ জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক ৬৪০ পৃষ্ঠার গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। 

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা অন্তর্র্বর্তী সরকারকে সহযোগিতা দিয়ে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। কিন্তু হতাশার সঙ্গে লক্ষ্য করি, কিছু রাজনৈতিক দল নির্বাচন যেন পিছিয়ে যায়, সেই চেষ্টা করছে। এটি ঠিক হচ্ছে না। এখন দ্রুত একটি রাজনৈতিক সরকার প্রয়োজন, কারণ দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি ও শিক্ষা সবকিছু নির্ভর করছে নির্বাচিত সরকারের ওপর।’

তিনি জাতীয় সংস্কার কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘অল্প সময়ের মধ্যে তারা অন্তত কিছু সংস্কারের কাজ শেষ করেছেন। এটি প্রয়োজন ছিল পরিবর্তনের পরে।’

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ধারাবাহিক সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান ২০২২ সালে যে ৩১ দফা দিয়েছিলেন, তার ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সংস্কার এনেছি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি এবং বেগম খালেদা জিয়ার ২০১৬ সালের ভিশন-২০৩০ এর কাজের ধারাবাহিকতা এই সংস্কারগুলোতে প্রতিফলিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, বিএনপির জন্মই সংস্কারের মধ্যে। একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় ব্যবস্থায় রূপান্তরের পেছনে বিএনপির অবদান রয়েছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, জনগণের মৌলিক অধিকার, মেয়েদের শিক্ষার অধিকার- সবই বিএনপি ও বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি অসম্মান এবং ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা নিয়ে ফখরুল বলেন, ‘জিয়ার নাম মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাস তাকে ধারণ করেছে। কিউবার প্রেসিডেন্ট কাস্ত্রোর কথায়, ÔHistory will absorb.Õ শহীদ জিয়াউর রহমানের সঠিক মূল্যায়ন ইতিহাস করবে।’

ফখরুল তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ‘তিনি স্বাধীনতা, মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র এবং দেশের উন্নয়নের পতাকা তুলে ধরেছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা হবে এবং অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণ হবে।’

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম। 

সঞ্চালনা করেন প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশররফ হোসেন। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আলমগীর পাভেল, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, জাসাসের সাবেক সভাপতি রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, কলামিস্ট সাখাওয়াত হোসেন সায়ান্থ এবং মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।