ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

নোয়াখালীতে রেকর্ডকৃত সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

#
news image

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নোয়াখালীর রেকর্ডকৃত সম্পত্তি আত্মসাৎ করে ভোগদখলের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের মধ্যে একজন নোয়াখালী জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ড কিপার, একজন ডি/ম্যান ও একজন কপিস্ট রয়েছে।

আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুদক নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল নোমান বাদি হয়ে মামলাটি করেন। মামলার আসামিরা হলেন, নোয়াখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতান আহম্মদের ছেলে বাহার উদ্দিন (৬১), নোয়াখালী জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ডকিপার হুমায়ন কবীর গাজী (৫৭), একই অফিসের ডিম্যান খায়রুল আলম ভূঞা (৫৬) ও কপিস্ট সুভাষ কান্তি চাকমা (৫৫)।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার সদর উপজেলার আইউবপুর মৌজার ১১৯ নম্বর সিএস বিভিন্ন প্লট ব্যক্তিমালিকানাধীন রেকর্ড ছিল। এলএ মামলা নং- ২৫/১৯৬১-১৯৬২ মূলে হুকুমদখল করে জমির প্রকৃত মালিকদের তৎকালীন জমির মূল্য পরিশোধ করা হয়।

পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক ওই ভূমিতে স্লুইস গেট নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে হস্তান্তর করে। কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে সরকার আগের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে এলএ মামলা নং- ২৫/১৯৬১-১৯৬২ মূলে পাকিস্তান সরকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে অধিগ্রহণ করে।

পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে দিয়ারা জরিপে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে ১৪৭ নং আইউবপুর মৌজায় ১৩৬০ ও ১৩৬২ দাগে ২৩ একর ৮ শতাংশ ভূমি রেকর্ড করা হয়। ওই সম্পত্তি বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের মাঠ জরিপ থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ডিপি খতিয়ান পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড নোয়াখালীর নামে ডিপি খতিয়ান হয়। কিন্তু মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা মাঠ পর্যায়ে সৃজিত ওয়ার্কিং ভলিউম চূড়ান্ত প্রকাশনা পর্যায়ে প্রকাশিত খতিয়ান ও সেটেলমেন্ট প্রেস থেকে প্রাপ্ত প্রিন্ট খতিয়ান যথাযথভাবে রেকর্ড বহাল থাকা সত্ত্বেও বাহার উদ্দিন বাহার আমিনের সাথে যোগসাজশ করে রেকর্ড পরিবর্তন জালিয়াতি ও তঞ্চকতার মাধ্যমে ভলিউমে নতুন সৃজিত খতিয়ান ভূমি কর্তন করে এবং বাহার আমিন অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্তভাবে প্রচারিত করার জন্য সংযোজন করেন।

পরে জালিয়াতি ও তঞ্চকতার মাধ্যমে ভলিউমে সৃজিত খতিয়ান বাইন্ডিং কাজের ঠিকাদার গোলাম ছারওয়ার কর্তৃক বাইন্ডিং করে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে জমা দেন।

দুদক নোয়াখালীর কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. ইদ্রিস জানান, আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় জাল রেকর্ড/ খতিয়ান করে ভলিউমে সংযোজন করে আসল হিসেবে ব্যবহার করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেকর্ডকৃত সম্পত্তি আত্মসাৎপূর্বক ভোগদখল করেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :

২১ অক্টোবর, ২০২৫,  5:09 AM

news image

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নোয়াখালীর রেকর্ডকৃত সম্পত্তি আত্মসাৎ করে ভোগদখলের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের মধ্যে একজন নোয়াখালী জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ড কিপার, একজন ডি/ম্যান ও একজন কপিস্ট রয়েছে।

আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুদক নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল নোমান বাদি হয়ে মামলাটি করেন। মামলার আসামিরা হলেন, নোয়াখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতান আহম্মদের ছেলে বাহার উদ্দিন (৬১), নোয়াখালী জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের রেকর্ডকিপার হুমায়ন কবীর গাজী (৫৭), একই অফিসের ডিম্যান খায়রুল আলম ভূঞা (৫৬) ও কপিস্ট সুভাষ কান্তি চাকমা (৫৫)।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার সদর উপজেলার আইউবপুর মৌজার ১১৯ নম্বর সিএস বিভিন্ন প্লট ব্যক্তিমালিকানাধীন রেকর্ড ছিল। এলএ মামলা নং- ২৫/১৯৬১-১৯৬২ মূলে হুকুমদখল করে জমির প্রকৃত মালিকদের তৎকালীন জমির মূল্য পরিশোধ করা হয়।

পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক ওই ভূমিতে স্লুইস গেট নির্মাণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে হস্তান্তর করে। কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে সরকার আগের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে এলএ মামলা নং- ২৫/১৯৬১-১৯৬২ মূলে পাকিস্তান সরকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে অধিগ্রহণ করে।

পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে দিয়ারা জরিপে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নামে ১৪৭ নং আইউবপুর মৌজায় ১৩৬০ ও ১৩৬২ দাগে ২৩ একর ৮ শতাংশ ভূমি রেকর্ড করা হয়। ওই সম্পত্তি বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের মাঠ জরিপ থেকে শুরু করে চূড়ান্ত ডিপি খতিয়ান পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড নোয়াখালীর নামে ডিপি খতিয়ান হয়। কিন্তু মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা মাঠ পর্যায়ে সৃজিত ওয়ার্কিং ভলিউম চূড়ান্ত প্রকাশনা পর্যায়ে প্রকাশিত খতিয়ান ও সেটেলমেন্ট প্রেস থেকে প্রাপ্ত প্রিন্ট খতিয়ান যথাযথভাবে রেকর্ড বহাল থাকা সত্ত্বেও বাহার উদ্দিন বাহার আমিনের সাথে যোগসাজশ করে রেকর্ড পরিবর্তন জালিয়াতি ও তঞ্চকতার মাধ্যমে ভলিউমে নতুন সৃজিত খতিয়ান ভূমি কর্তন করে এবং বাহার আমিন অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্তভাবে প্রচারিত করার জন্য সংযোজন করেন।

পরে জালিয়াতি ও তঞ্চকতার মাধ্যমে ভলিউমে সৃজিত খতিয়ান বাইন্ডিং কাজের ঠিকাদার গোলাম ছারওয়ার কর্তৃক বাইন্ডিং করে জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে জমা দেন।

দুদক নোয়াখালীর কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. ইদ্রিস জানান, আসামিরা একে অপরের সহযোগিতায় জাল রেকর্ড/ খতিয়ান করে ভলিউমে সংযোজন করে আসল হিসেবে ব্যবহার করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেকর্ডকৃত সম্পত্তি আত্মসাৎপূর্বক ভোগদখল করেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।