ঢাকা ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও মাদককারিদের উপদ্রুপে অসহায় হয়ে পড়েছে এলাকার লোকজন নিরব প্রশাসন

#
news image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রামের নাম গোকর্ন ঘাট। তিতাস পাড়ে অবস্থিত এই গ্রামটিতেই জন্মগ্রহণ করেন, বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাসিক "তিতাস একটি নদীর নাম" উপন্যাসের অমর স্রষ্টা " অদ্বৈত মল্ল বর্মণ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার ৭ নং ওয়ার্ডের ছয় হাজার ভোটারের এই গ্রামটিতে স্থানীয় অস্থানীয় মিলিয়ে প্রায় ১১ থেকে ১২ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে । 

১২টি মসজিদ, পুরুষ ও মহিলার ৬ টি মাদ্রাসা একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৫ টি কিন্ডারগার্টেন সহ জেলার শহরের সাথে যোগাযোগের একমাত্র লঞ্চ ঘাট ও সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা পূর্ণ আমাদের প্রাণের গ্রামটি সময়ের বিবর্তনে এখন মাদক সেবী, বিক্রেতা ও চুরদের স্বর্গে পরিনত হয়েছে সামাজিক ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় সমাজ বিনির্মাণে আজ আর এগিয়ে আসতে চাই না। 

যার ফলে অপরাধ প্রবণতা দ্রুতই বেড়েই চলছে এক সময় যখন সামাজিক অবস্থা ভাল ছিল - গ্রাম্য শালিসে সামাজিক অপরাধে জড়িতদের বিচার করা হত।

তখন সমাজে অসামাজিক কার্যকলাপ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারত না। কিন্তু আজ সমাজ ব্যবস্থা ভেঙ্গে যাওয়ার সুযোগে যে যার মত করে অপরাধ করে যাচ্ছে নির্ভয়ে বর্তমান সময়ে গত ৬/৭ বছরে এই গ্রামে আশংকা জনক হারে বেড়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ী ও সেবীদের দৌড়াত্ব । সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চুরি ছিনতাই সহ নানান অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড প্রতিদিনই গ্রামের কোন না কোন বাড়িতে চুরি হচ্ছেই । বিশেষ করে মোবাইল চুরি এখন নিত্যদিনকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আশ্চর্যজনক হলো এর থেকে পরিত্রাণ কারোই কোন উদ্যোগ নেই,ফলে মাদকের ভয়াল ছোবলে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলছে , সেই সাথে মাদকের টাকা জোগাড় করতে মরিয়া তরুণরা জড়িয়ে পড়ছে চুরি সহ বিভিন্ন অসামাজিক কাজে । 

ঠিক একই ভাবে তারা প্রতিদিন গ্রামের বিভিন্ন বাড়ি থেকে মোবাইল ফোন সহ মূল্যবান সামগ্রী এছাড়া হাঁস মুরগী কবুতর থেকে শুরু করে যা পায় তাই চুরি করে নিয়ে যায়, ইতিমধ্যে এই সমস্ত কাজে যারা ধরা পড়েছে তাদের বেশির ভাগ ইয়াবাতে আসক্ত,যারা ছাড়িয়ে নিতে আসে তারাও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।পাশাপাশি অতি অল্পতেই বিপুল লাভ খোঁজা মাদক ব্যবসায়ীরা অল্প দিনে কোটিপতি বনে যাওয়ার চিন্তা চেতনা নিয়ে মাদকের ব্যবসা করার মাধ্যমে জাতির ভবিষ্যৎ যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো সারাদেশে যখন মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চলছে, তখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের গোকর্ণ ঘাট গ্রামের মাদক কারবারিরা ধরা ছোয়ার বাইরে।যার কারণে এলাকায় এখন নির্বিঘ্নে করছে মাদকের ব্যবসা।

মাদক মুক্ত একটি সুন্দর ও সুস্থ সমাজ আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য খুবই জরুরী অন্যথায় আগামী প্রজন্মের সামনে চরম অন্ধকার অপেক্ষা করছে। এমন অবস্থায় ৭নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের লোকজনের দাবি করছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন।

সামজাদ জসি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :

০৩ অক্টোবর, ২০২৫,  7:41 PM

news image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী গ্রামের নাম গোকর্ন ঘাট। তিতাস পাড়ে অবস্থিত এই গ্রামটিতেই জন্মগ্রহণ করেন, বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাসিক "তিতাস একটি নদীর নাম" উপন্যাসের অমর স্রষ্টা " অদ্বৈত মল্ল বর্মণ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সভার ৭ নং ওয়ার্ডের ছয় হাজার ভোটারের এই গ্রামটিতে স্থানীয় অস্থানীয় মিলিয়ে প্রায় ১১ থেকে ১২ হাজার মানুষের বসবাস রয়েছে । 

১২টি মসজিদ, পুরুষ ও মহিলার ৬ টি মাদ্রাসা একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৫ টি কিন্ডারগার্টেন সহ জেলার শহরের সাথে যোগাযোগের একমাত্র লঞ্চ ঘাট ও সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা পূর্ণ আমাদের প্রাণের গ্রামটি সময়ের বিবর্তনে এখন মাদক সেবী, বিক্রেতা ও চুরদের স্বর্গে পরিনত হয়েছে সামাজিক ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ায় সমাজ বিনির্মাণে আজ আর এগিয়ে আসতে চাই না। 

যার ফলে অপরাধ প্রবণতা দ্রুতই বেড়েই চলছে এক সময় যখন সামাজিক অবস্থা ভাল ছিল - গ্রাম্য শালিসে সামাজিক অপরাধে জড়িতদের বিচার করা হত।

তখন সমাজে অসামাজিক কার্যকলাপ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারত না। কিন্তু আজ সমাজ ব্যবস্থা ভেঙ্গে যাওয়ার সুযোগে যে যার মত করে অপরাধ করে যাচ্ছে নির্ভয়ে বর্তমান সময়ে গত ৬/৭ বছরে এই গ্রামে আশংকা জনক হারে বেড়েছে ইয়াবা ব্যবসায়ী ও সেবীদের দৌড়াত্ব । সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চুরি ছিনতাই সহ নানান অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড প্রতিদিনই গ্রামের কোন না কোন বাড়িতে চুরি হচ্ছেই । বিশেষ করে মোবাইল চুরি এখন নিত্যদিনকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আশ্চর্যজনক হলো এর থেকে পরিত্রাণ কারোই কোন উদ্যোগ নেই,ফলে মাদকের ভয়াল ছোবলে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলছে , সেই সাথে মাদকের টাকা জোগাড় করতে মরিয়া তরুণরা জড়িয়ে পড়ছে চুরি সহ বিভিন্ন অসামাজিক কাজে । 

ঠিক একই ভাবে তারা প্রতিদিন গ্রামের বিভিন্ন বাড়ি থেকে মোবাইল ফোন সহ মূল্যবান সামগ্রী এছাড়া হাঁস মুরগী কবুতর থেকে শুরু করে যা পায় তাই চুরি করে নিয়ে যায়, ইতিমধ্যে এই সমস্ত কাজে যারা ধরা পড়েছে তাদের বেশির ভাগ ইয়াবাতে আসক্ত,যারা ছাড়িয়ে নিতে আসে তারাও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।পাশাপাশি অতি অল্পতেই বিপুল লাভ খোঁজা মাদক ব্যবসায়ীরা অল্প দিনে কোটিপতি বনে যাওয়ার চিন্তা চেতনা নিয়ে মাদকের ব্যবসা করার মাধ্যমে জাতির ভবিষ্যৎ যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো সারাদেশে যখন মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চলছে, তখন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের গোকর্ণ ঘাট গ্রামের মাদক কারবারিরা ধরা ছোয়ার বাইরে।যার কারণে এলাকায় এখন নির্বিঘ্নে করছে মাদকের ব্যবসা।

মাদক মুক্ত একটি সুন্দর ও সুস্থ সমাজ আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য খুবই জরুরী অন্যথায় আগামী প্রজন্মের সামনে চরম অন্ধকার অপেক্ষা করছে। এমন অবস্থায় ৭নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের লোকজনের দাবি করছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন।