ঢাকা ২২ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ভাষাসৈনিক আহমদ রফিকের পরলোকগমন

#
news image

ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক বার্ধক্যজনিত জটিলতায় আজ রাতে মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। 

আজ বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই ভাষাসৈনিক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্রনিক কিডনি ফেইলিওর, আলঝেইমার’স ডিজিজ, পার্কিনসন’স ডিজিজ, ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালান্স, শয্যা-ক্ষত ও ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছিলেন।

আহমদ রফিক ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার শাহবাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। 

তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাসের ছাত্রদের সঙ্গে মিলে আন্দোলনে গড়ে তোলেন। ১৯৫৪ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের একমাত্র ছাত্র হিসেবে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

১৯৫৮ সালে তার প্রথম বই প্রকাশিত হয়। তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি, সমাজ ভাবনা ইত্যাদি বহুমাত্রিক বিষয়ে ব্যাপৃত ছিল তাঁর লেখনী।

২০০৬ সালে স্ত্রী মারা যাওয়ার পর আহমদ রফিক নিউ ইস্কাটনের গাউসনগরের একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করতেন। 

২০১৯ সাল থেকে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেতে থাকে। ২০২১ সালে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। ২০২৩ সাল নাগাদ প্রায় দৃষ্টিহীন হয়ে পড়েন তিনি।

আহমদ রফিক সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের জন্য একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ও রবীন্দ্র সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৩ অক্টোবর, ২০২৫,  12:34 AM

news image

ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক বার্ধক্যজনিত জটিলতায় আজ রাতে মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। 

আজ বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই ভাষাসৈনিক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্রনিক কিডনি ফেইলিওর, আলঝেইমার’স ডিজিজ, পার্কিনসন’স ডিজিজ, ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালান্স, শয্যা-ক্ষত ও ফুসফুসের সংক্রমণে ভুগছিলেন।

আহমদ রফিক ১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার শাহবাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। 

তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাসের ছাত্রদের সঙ্গে মিলে আন্দোলনে গড়ে তোলেন। ১৯৫৪ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের একমাত্র ছাত্র হিসেবে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।

১৯৫৮ সালে তার প্রথম বই প্রকাশিত হয়। তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি, সমাজ ভাবনা ইত্যাদি বহুমাত্রিক বিষয়ে ব্যাপৃত ছিল তাঁর লেখনী।

২০০৬ সালে স্ত্রী মারা যাওয়ার পর আহমদ রফিক নিউ ইস্কাটনের গাউসনগরের একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করতেন। 

২০১৯ সাল থেকে দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেতে থাকে। ২০২১ সালে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে যাওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। ২০২৩ সাল নাগাদ প্রায় দৃষ্টিহীন হয়ে পড়েন তিনি।

আহমদ রফিক সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের জন্য একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ও রবীন্দ্র সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন।