ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার

দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক  সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ জন বেকসুর খালাস

#
news image

বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক সংসদ এম এ এইচ সেলিমকে জননিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে দুই যুগ পর অব্যাহতি দিয়েছে বাগেরহাটের একটি আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আব্দুর সবুর মিনা আসামী সেলিমসহ ১৩ জনকে (বেকসুর খালাস) অব্যাহতির এই আদেশ দেন। বিচারকের রায় ঘোষণার সময় এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ নেতাকর্মী কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

অন্য উল্লেখযোগ্য আসামীরা হলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খাদেম নিয়ামুল নাসির আলাপ ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলামসহ দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

এমএ এইচ সেলিম বাগেরহাট ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই মামলায় হাজিরা দিয়ে আসছিলেন।

এদিকে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ এইচ সেলিমের আদালতে হাজির হওয়ার খবর পেয়ে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী তাকে দেখার জন্য আদালতে ভিড় করেন। তারা আদালত প্রাঙ্গন স্লোগানে স্লোগানে মূখরিত করে তোলে। 

এর আগে তিনি মামলায় হাজিরা দিতে ঢাকা থেকে বাগেরহাট আসেন।

আসামী পক্ষের আইনজীবী শহীদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন,২০০১ সালে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড এলাকায়  হামলা,মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা বিএনপি’র তৎকালীন সভাপতি এম এ এইচ সেলিমকে প্রধান করে দলের আরও ১২ জনের বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা আইনে একটি মামলা হয়। মামলাটি ছিল রাজনৈতিক। পরবর্তিতে উচ্চ আদালতের আদেশে মামলাটি স্থগিত হয়। ২০০৮ সালে জননিরাপত্তা আইনটি সরকার বাতিল করলেও মামলাটি নিন্ম আদালতে চলছিল। আজ বিচারক মামলার দীর্ঘ শুনানী শেষে সেলিমসহ সকল আসামীকে বেকসুর খালাস দেন। দুই যুগ পর বিচারক মামলা থেকে সবাইকে অব্যাহতি দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এই আইনজীবী।

সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  4:04 PM

news image

বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক সংসদ এম এ এইচ সেলিমকে জননিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে দুই যুগ পর অব্যাহতি দিয়েছে বাগেরহাটের একটি আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক আব্দুর সবুর মিনা আসামী সেলিমসহ ১৩ জনকে (বেকসুর খালাস) অব্যাহতির এই আদেশ দেন। বিচারকের রায় ঘোষণার সময় এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ নেতাকর্মী কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

অন্য উল্লেখযোগ্য আসামীরা হলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খাদেম নিয়ামুল নাসির আলাপ ও জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ফকির তারিকুল ইসলামসহ দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

এমএ এইচ সেলিম বাগেরহাট ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই মামলায় হাজিরা দিয়ে আসছিলেন।

এদিকে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ এইচ সেলিমের আদালতে হাজির হওয়ার খবর পেয়ে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী তাকে দেখার জন্য আদালতে ভিড় করেন। তারা আদালত প্রাঙ্গন স্লোগানে স্লোগানে মূখরিত করে তোলে। 

এর আগে তিনি মামলায় হাজিরা দিতে ঢাকা থেকে বাগেরহাট আসেন।

আসামী পক্ষের আইনজীবী শহীদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন,২০০১ সালে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড এলাকায়  হামলা,মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা বিএনপি’র তৎকালীন সভাপতি এম এ এইচ সেলিমকে প্রধান করে দলের আরও ১২ জনের বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা আইনে একটি মামলা হয়। মামলাটি ছিল রাজনৈতিক। পরবর্তিতে উচ্চ আদালতের আদেশে মামলাটি স্থগিত হয়। ২০০৮ সালে জননিরাপত্তা আইনটি সরকার বাতিল করলেও মামলাটি নিন্ম আদালতে চলছিল। আজ বিচারক মামলার দীর্ঘ শুনানী শেষে সেলিমসহ সকল আসামীকে বেকসুর খালাস দেন। দুই যুগ পর বিচারক মামলা থেকে সবাইকে অব্যাহতি দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এই আইনজীবী।