ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ৭ দফা ঘোষণাপত্র প্রকাশ

#
news image

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৭ দফাসহ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে।

শাহবাগ চত্বরে আজ শুক্রবার আয়োজিত ছাত্র সমাবেশ থেকে প্রকাশিত ঘোষণাপত্রে বলা হয়, ২০২৪ পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে কোনো স্বৈরাচার, দুর্নীতিবাজ, লুটেরা ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যেন রাষ্ট্রক্ষমতা ব্যবহার করে জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করতে না পারে, সেজন্য জরুরি ভিত্তিতে মৌলিক রাষ্ট্রসংস্কার সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।

এ ছাড়া ঘোষণাপত্রে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তরুণ প্রজন্মের প্রতিটি ভোটের মূল্যায়ন, ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ এবং জাতীয় সরকার গঠনে সংসদের উভয় কক্ষে আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।

সমাবেশ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ ঘোষণা ও এর আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ও ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বৈষম্য মুক্তির আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ইনসাফভিত্তিক কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়।

ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়, ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির নামে অপরাজনীতি ও সন্ত্রাস রোধ, রাজনৈতিক সহনশীলতা নিশ্চিত এবং শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ গঠনে সকল ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। একই সঙ্গে ডাকসু, জাকসু ও রাকসুসহ ঘোষিত ছাত্র সংসদগুলোতে নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন দিতে হবে।

পতিত ফ্যাসিবাদ ও পিলখানা, শাপলা এবং জুলাইসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদেশে পালাতক অপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার ও শাস্তি নিশ্চিতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের দাবি জানানো হয়।

এ ছাড়া দেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও খুনোখুনি রোধে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালন করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৩ আগস্ট, ২০২৫,  12:19 AM

news image

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৭ দফাসহ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে।

শাহবাগ চত্বরে আজ শুক্রবার আয়োজিত ছাত্র সমাবেশ থেকে প্রকাশিত ঘোষণাপত্রে বলা হয়, ২০২৪ পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে কোনো স্বৈরাচার, দুর্নীতিবাজ, লুটেরা ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যেন রাষ্ট্রক্ষমতা ব্যবহার করে জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করতে না পারে, সেজন্য জরুরি ভিত্তিতে মৌলিক রাষ্ট্রসংস্কার সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।

এ ছাড়া ঘোষণাপত্রে আগামী জাতীয় নির্বাচনে তরুণ প্রজন্মের প্রতিটি ভোটের মূল্যায়ন, ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ এবং জাতীয় সরকার গঠনে সংসদের উভয় কক্ষে আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।

সমাবেশ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে ‘জুলাই সনদ’ ঘোষণা ও এর আইনগত ভিত্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন ও ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বৈষম্য মুক্তির আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ইনসাফভিত্তিক কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়।

ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়, ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির নামে অপরাজনীতি ও সন্ত্রাস রোধ, রাজনৈতিক সহনশীলতা নিশ্চিত এবং শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ গঠনে সকল ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। একই সঙ্গে ডাকসু, জাকসু ও রাকসুসহ ঘোষিত ছাত্র সংসদগুলোতে নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন দিতে হবে।

পতিত ফ্যাসিবাদ ও পিলখানা, শাপলা এবং জুলাইসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদেশে পালাতক অপরাধীদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার ও শাস্তি নিশ্চিতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের দাবি জানানো হয়।

এ ছাড়া দেশে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও খুনোখুনি রোধে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা পালন করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।