ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

টানা বৃষ্টিতে সিরাজগঞ্জে বাড়ছে যমুনার পানি

#
news image

পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ৪ আগস্ট থেকে নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। ফলে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে।

এমতবস্থায় নদীতীরের ৫টি উপজেলা সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালীতে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। পানি বৃদ্ধির ফলে নদীতীরের নিম্নাঞ্চলের আবাদি জমির ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে বসতবাড়িও। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিবছরই বর্ষায় এমন অবস্থা হয়। আগাম ব্যবস্থা না নিলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়বে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৫৪ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর পয়েন্টে ৩ সেন্টিমিটার বেড়ে ১৯১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আরও জানান, আপাতত বন্যার শঙ্কা না থাকলেও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

০৯ আগস্ট, ২০২৫,  4:04 AM

news image

পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ৪ আগস্ট থেকে নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। ফলে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে।

এমতবস্থায় নদীতীরের ৫টি উপজেলা সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালীতে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। পানি বৃদ্ধির ফলে নদীতীরের নিম্নাঞ্চলের আবাদি জমির ফসল তলিয়ে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে বসতবাড়িও। স্থানীয়রা বলছেন, প্রতিবছরই বর্ষায় এমন অবস্থা হয়। আগাম ব্যবস্থা না নিলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়বে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৫৪ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর পয়েন্টে ৩ সেন্টিমিটার বেড়ে ১৯১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আরও জানান, আপাতত বন্যার শঙ্কা না থাকলেও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে