ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

হাটহাজারীতে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতাকে বাদ দিয়ে কমিটি গঠনের অভিযোগ

#
news image

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ধলই ইউনিয়নের বাইতুশ শরফ দাখিল মাদ্রাসায় প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতাকে বাদ দিয়ে কমিটি গঠন ও প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ পারিবারিকভাবে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসাটির সাবেক সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী ও বর্তমান প্রধান শিক্ষক  মাওলানা ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সুপার মুহাম্মদ ইব্রাহিম।
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগে মুহাম্মদ ইব্রাহিম উল্লেখ করেন, ৬ জুন ১৯৮৭ সালে অনুমোদিত ৯ সদস্যের অর্গানাইজিং কমিটিতে তিনি সহ-সভাপতি ও একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি পান (স্মারক নং-২৫২১/৭/সিটিজি ১৮৯)। এর আগেই, ১৯৮৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তার পিতা ২৩ শতক জমি মাদ্রাসার নামে তাকে মোতাওয়াল্লি করে দান করেন (দলিল নং-৫২২)।
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিকে নিজস্ব স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইছে একটি প্রভাবশালী মহল। ২০১৫ সালের ভোটার তালিকায় কৌশলে ইব্রাহিমের নাম বাদ দিয়ে শাহ আলম চৌধুরী ও মো. রাশেদুলকে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা সম্পূর্ণ জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয়েছে।
১৯৮৭ সালের অর্গানাইজিং কমিটির সদস্য এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক ফজলুল কাদের চৌধুরী বলেন, “মুহাম্মদ ইব্রাহিমই প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা। আমরা তাকে সহায়তা করেছিলাম। শাহ আলম চৌধুরী নামে কোনো ব্যক্তি তখন কমিটিতে ছিল না। কিভাবে তার নাম এলো—তা আমাদেরও বিস্মিত করেছে।”
এ বিষয়ে জানতে সরেজমিনে গিয়ে  মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা ফরিদুল আলমকে অফিসে না পেয়ে একাধিকবার ফোন করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
 
এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও তদন্তকারী কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, “আমরা উভয় পক্ষের লিখিত বক্তব্য নিয়েছি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।” 
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বলেন, “যিনি এত কষ্ট করে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছেন, তাকে এভাবে বাদ দেওয়া অনৈতিক। আমরা এর সঠিক ও ন্যায়সংগত সমাধান চাই।”

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

৩১ জুলাই, ২০২৫,  10:25 PM

news image

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ধলই ইউনিয়নের বাইতুশ শরফ দাখিল মাদ্রাসায় প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতাকে বাদ দিয়ে কমিটি গঠন ও প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ পারিবারিকভাবে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসাটির সাবেক সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী ও বর্তমান প্রধান শিক্ষক  মাওলানা ফরিদুল আলমের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সুপার মুহাম্মদ ইব্রাহিম।
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগে মুহাম্মদ ইব্রাহিম উল্লেখ করেন, ৬ জুন ১৯৮৭ সালে অনুমোদিত ৯ সদস্যের অর্গানাইজিং কমিটিতে তিনি সহ-সভাপতি ও একমাত্র প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি পান (স্মারক নং-২৫২১/৭/সিটিজি ১৮৯)। এর আগেই, ১৯৮৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তার পিতা ২৩ শতক জমি মাদ্রাসার নামে তাকে মোতাওয়াল্লি করে দান করেন (দলিল নং-৫২২)।
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিকে নিজস্ব স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইছে একটি প্রভাবশালী মহল। ২০১৫ সালের ভোটার তালিকায় কৌশলে ইব্রাহিমের নাম বাদ দিয়ে শাহ আলম চৌধুরী ও মো. রাশেদুলকে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা সম্পূর্ণ জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয়েছে।
১৯৮৭ সালের অর্গানাইজিং কমিটির সদস্য এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক অধ্যাপক ফজলুল কাদের চৌধুরী বলেন, “মুহাম্মদ ইব্রাহিমই প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা। আমরা তাকে সহায়তা করেছিলাম। শাহ আলম চৌধুরী নামে কোনো ব্যক্তি তখন কমিটিতে ছিল না। কিভাবে তার নাম এলো—তা আমাদেরও বিস্মিত করেছে।”
এ বিষয়ে জানতে সরেজমিনে গিয়ে  মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা ফরিদুল আলমকে অফিসে না পেয়ে একাধিকবার ফোন করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
 
এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও তদন্তকারী কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, “আমরা উভয় পক্ষের লিখিত বক্তব্য নিয়েছি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।” 
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা বলেন, “যিনি এত কষ্ট করে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেছেন, তাকে এভাবে বাদ দেওয়া অনৈতিক। আমরা এর সঠিক ও ন্যায়সংগত সমাধান চাই।”