ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

আদালতের আদেশ অমান্য করার অপরাধে হবিগঞ্জের সাবেক ডিসি,এডিসিসহ ৪ জনকে কারাদণ্ড

#
news image

হবিগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দায়েরকৃত ১৯৯৫ইং সালের ৫৬ নং একটি স্বত্ব মোকদ্দমায় ১৯৯৫ইং সালের ১২ আগষ্ট বিজ্ঞ বিচারক এক রায়- ডিক্রি ও স্হায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করেছিলেন। উক্ত রায় - ডিক্রি ও স্হায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করে, আইনের প্রতিবৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শন করে, হবিগঞ্জের তৎকালীন জেলা প্রসাশক আতাউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক (রাজস্ব)  একেএম আমিনুল ইসলাম, সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সফিউল আলম ও বানিয়াচংয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরে আলম সিদ্দিকীসহ প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা বাদী আব্দুল হামিদ এর ভূমি থেকে স্থাপনা ভাংচুর করে, ভূমি থেকে জোর পূর্বক উচ্ছেদ করে ফেলে। এতে বাদীর ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এবিষয়ে 
বাদী আব্দুল হামিদ বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে জেলা প্রশাসকসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতের আদেশ অমান্য করার অভিযোগ এনে মিস মোকদ্দমা ১৪/২০০৮ইং দায়ের করলে। দীর্ঘ ১৬ বছর পর,আজ রবিবার (২৭শে জুলাই) বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ তারেক আজিজ। ৪ জনকে এক মাসের সাজা ও তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছেন। বাদী আব্দুল হামিদ জানান, আমি উক্ত রায়ে মোটামুটি সন্তুষ্ট হয়েছি,আমি উক্ত মামলায় ও তাদের উচ্ছেদের কারনে অনেক ক্ষতিগ্রস্হ, আমি আশা করেছিলাম, তাদের জেল - জরিমানা হবে। এ রায়ে আশা করি দৃষ্টান্ত স্হাপন হবে। এমন ভুল করতে, হয়তো ভেবে করবে। তার পর ও আমি সন্তুষ্ট।

মোঃ রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

২৮ জুলাই, ২০২৫,  12:16 AM

news image

হবিগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে দায়েরকৃত ১৯৯৫ইং সালের ৫৬ নং একটি স্বত্ব মোকদ্দমায় ১৯৯৫ইং সালের ১২ আগষ্ট বিজ্ঞ বিচারক এক রায়- ডিক্রি ও স্হায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করেছিলেন। উক্ত রায় - ডিক্রি ও স্হায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করে, আইনের প্রতিবৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শন করে, হবিগঞ্জের তৎকালীন জেলা প্রসাশক আতাউর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক (রাজস্ব)  একেএম আমিনুল ইসলাম, সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সফিউল আলম ও বানিয়াচংয়ের ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরে আলম সিদ্দিকীসহ প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা বাদী আব্দুল হামিদ এর ভূমি থেকে স্থাপনা ভাংচুর করে, ভূমি থেকে জোর পূর্বক উচ্ছেদ করে ফেলে। এতে বাদীর ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এবিষয়ে 
বাদী আব্দুল হামিদ বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে জেলা প্রশাসকসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতের আদেশ অমান্য করার অভিযোগ এনে মিস মোকদ্দমা ১৪/২০০৮ইং দায়ের করলে। দীর্ঘ ১৬ বছর পর,আজ রবিবার (২৭শে জুলাই) বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ তারেক আজিজ। ৪ জনকে এক মাসের সাজা ও তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছেন। বাদী আব্দুল হামিদ জানান, আমি উক্ত রায়ে মোটামুটি সন্তুষ্ট হয়েছি,আমি উক্ত মামলায় ও তাদের উচ্ছেদের কারনে অনেক ক্ষতিগ্রস্হ, আমি আশা করেছিলাম, তাদের জেল - জরিমানা হবে। এ রায়ে আশা করি দৃষ্টান্ত স্হাপন হবে। এমন ভুল করতে, হয়তো ভেবে করবে। তার পর ও আমি সন্তুষ্ট।