ঢাকা ০৭ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
পিরোজপুর সদর উপজেলার চুঙ্গাপাশা বাজার মসজিদ উদ্ভোধন টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৩০হাজার পিচ ইয়াবা জব্দ  বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে মাদক কারবারিদের গুলিতে কৃষকের স্ত্রী আহত: এলাকায় উত্তেজনা নোয়াখালী'র কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষক সাংবাদিক ও গুণীজনদের সৌজন্যে "উদয়এইড"এর ইফতার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে ঘরের চালে ইট–পাটকেল নিক্ষেপের প্রতিবাদে সংঘর্ষ, আহত ৮ নেত্রকোনায় ঝুলন্ত অবস্থায় ৯ বছরের শিশু উদ্বার নাসিরনগরে মৃত্যুর ফাঁদ: মাথার ওপরে ঝুলছে পল্লী বিদ্যুতের তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী নওগাঁয় স্ত্রী সন্তানকে হত্যার পর যুবকের আত্মহত্যা  গাজীপুরে টঙ্গী বাজারের মার্কেটে  আগুন  ১৫টি দোকান পুঁড়েছে

আগামীকাল সিইসিসহ চার নির্বাচন কমিশনার শপথ নেবেন

#
news image

নব গঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও চার নির্বাচন কমিশনার আগামীকাল রোববার শপথ গ্রহণ করবেন।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম আজ বাসসকে একথা জানান।

তিনি বলেছেন, ‘আগামীকাল ২৪ নভেম্বর রোববার দুপুর দেড়টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে নব নিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার গণের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।’

২১ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার নির্বাচন কমিশনারের সমন্বয়ে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নব নিযুক্ত নির্বাচন কমিশনাররা হচ্ছেন;সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমান মাসুদ, অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম-সচিব বেগম তহমিদা আহমদ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। তাতে বলা হয়,অবিলম্বে এই আদেশ কার্যকর হবে।

অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটির প্রস্তাবিত তালিকা থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এক জনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার জনকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেন। এখন নিয়োগ প্রাপ্তদের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামীকাল রোববার শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে গঠিত ৬ সদস্য বিশিষ্ট সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন ইসি গঠন করা হলো। গত ২৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে ‘দ্য চীফ ইলেকশন কমিশনার এন্ড আদার ইলেকশন কমিশনারস অ্যাপয়েনমেন্ট অ্যাক্ট, ২০২২’ এর ধারা-৩ অনুযায়ী এই সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যগণ ছিলেন-হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জিন্নাতুন নেছা তাহমিদা বেগম।

এই সার্চ কমিটির কাছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দল ও পেশাজীবী সংগঠনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়েও আগ্রহী ব্যক্তিরা নাম প্রস্তাব করেন।

বিভিন্ন দলের ও সংগঠনের প্রস্তাব থেকে সার্চ কমিটি গত ২০ নভেম্বর বুধবার রাষ্ট্রপতির কাছে ১০ জনের নাম সুপারিশ করেছিলেন। সার্চ কমিটির আহ্বানে নতুন ইসি গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ মোট ১৭টি দল-জোট নাম প্রস্তাব করেছিল।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের শাসনের পতন হয় ৫ আগস্ট।  গণ অভ্যুত্থানের মুখে ওই দিন পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এর এক মাস পর গত ৫ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন।  এরপর দেড় মাস ধরে শূন্য থাকার পর এখন নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলো।

নব নিযুক্ত সিইসি নাসির উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেছেন, বিগত কয়েকটি নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। গত জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে অনেক মানুষ প্রাণ দিয়েছে। এই আন্দোলনের মূল বিষয়ই ছিল ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা। এত মানুষের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করা সম্ভব নয়। সে জন্য সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাবেন।

নতুন সিইসি নাসির উদ্দীনের বাড়ি কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায়। ১৯৫৩ সালের ১ জুলাই তার জন্ম। তিনি চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর করার পর শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ১৯৭৭ সালে। দুই বছর পর ১৯৭৯ সালে বিসিএস-এ উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন তিনি।

তিনি কর্মজীবনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। এরপর পরিকল্পনা বিভাগের সদস্য হয়েছিলেন। বিদ্যুৎ-জ্বালানি এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ নভেম্বর, ২০২৪,  12:01 PM

news image
ফাইল ছবি

নব গঠিত নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও চার নির্বাচন কমিশনার আগামীকাল রোববার শপথ গ্রহণ করবেন।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম আজ বাসসকে একথা জানান।

তিনি বলেছেন, ‘আগামীকাল ২৪ নভেম্বর রোববার দুপুর দেড়টায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে নব নিযুক্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার গণের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।’

২১ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার নির্বাচন কমিশনারের সমন্বয়ে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নব নিযুক্ত নির্বাচন কমিশনাররা হচ্ছেন;সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমান মাসুদ, অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম-সচিব বেগম তহমিদা আহমদ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। তাতে বলা হয়,অবিলম্বে এই আদেশ কার্যকর হবে।

অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটির প্রস্তাবিত তালিকা থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এক জনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার জনকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেন। এখন নিয়োগ প্রাপ্তদের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামীকাল রোববার শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে গঠিত ৬ সদস্য বিশিষ্ট সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন ইসি গঠন করা হলো। গত ২৯ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে ‘দ্য চীফ ইলেকশন কমিশনার এন্ড আদার ইলেকশন কমিশনারস অ্যাপয়েনমেন্ট অ্যাক্ট, ২০২২’ এর ধারা-৩ অনুযায়ী এই সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যগণ ছিলেন-হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. জিন্নাতুন নেছা তাহমিদা বেগম।

এই সার্চ কমিটির কাছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দল ও পেশাজীবী সংগঠনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়েও আগ্রহী ব্যক্তিরা নাম প্রস্তাব করেন।

বিভিন্ন দলের ও সংগঠনের প্রস্তাব থেকে সার্চ কমিটি গত ২০ নভেম্বর বুধবার রাষ্ট্রপতির কাছে ১০ জনের নাম সুপারিশ করেছিলেন। সার্চ কমিটির আহ্বানে নতুন ইসি গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ মোট ১৭টি দল-জোট নাম প্রস্তাব করেছিল।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের শাসনের পতন হয় ৫ আগস্ট।  গণ অভ্যুত্থানের মুখে ওই দিন পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এর এক মাস পর গত ৫ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন।  এরপর দেড় মাস ধরে শূন্য থাকার পর এখন নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করা হলো।

নব নিযুক্ত সিইসি নাসির উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেছেন, বিগত কয়েকটি নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। গত জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে অনেক মানুষ প্রাণ দিয়েছে। এই আন্দোলনের মূল বিষয়ই ছিল ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা। এত মানুষের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করা সম্ভব নয়। সে জন্য সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাবেন।

নতুন সিইসি নাসির উদ্দীনের বাড়ি কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায়। ১৯৫৩ সালের ১ জুলাই তার জন্ম। তিনি চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর করার পর শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ১৯৭৭ সালে। দুই বছর পর ১৯৭৯ সালে বিসিএস-এ উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন তিনি।

তিনি কর্মজীবনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। এরপর পরিকল্পনা বিভাগের সদস্য হয়েছিলেন। বিদ্যুৎ-জ্বালানি এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন।