ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

সিলেটে বাবা হত্যার দায়ে ছেলেসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

#
news image

সিলেটে শবে বরাতের রাতে নামাজরত অবস্থায় পিতা শামসুল ইসলাম চৌধুরীকে হত্যার দায়ে ছেলেসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় আরেক আসামিকে তিন বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শাহাদত হোসেন প্রামাণিক এই আদেশ দেন।

মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আইনজীবী শামসুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে মাসুদ আহমদ চৌধুরী মুন্না, তার সহযোগী জাহের আলী ও আনসার আহমদ।

বিভাগীয় বিশেষ জাজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. আনছারুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০১১ সালের ১৭ জুলাই শবে বরাতের রাতে নামাজরত অবস্থায় সিলেট নগরের মিরবক্সটুলা এলাকার বাসিন্দা প্রবীণ আইনজীবী শামসুল ইসলাম চৌধুরীকে হত্যা করেন তার ছেলে মাসুদ আহমদ চৌধুরী মুন্না। পেছন থেকে প্রথমে পাথর দিয়ে মাথায় আঘাতের কারণে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে চেতনানাশক ইনজেকশন দিয়ে তাকে অচেতন করা হয়। পরে, গাড়িতে তুলে সুনামগঞ্জের ছাতকের মল্লিকপুর এলাকার সুরমা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

পরে, সুনামগঞ্জের ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামে সুরমা নদীতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় মুন্নাকে গাড়িচালকসহ তিন জন সহযোগিতা করেন। 

আইনজীবীরা আরও জানান, ২০১১ সালে ১৭ জুলাই থেকে আইনজীবী শামসুল ইসলাম চৌধুরী নিখোঁজ রয়েছেন জানিয়ে ১৮ জুলাই সিলেটের কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ছোট ছেলে মাসুদ আহমদ চৌধুরী। বাবার নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি করার চার দিন পর ২২ জুলাই থেকে তিনি নিজেও নিখোঁজ হন। 

এই ঘটনায় শামসুল ইসলাম চৌধুরীর বড় ছেলে মাহমুদ আহমদ চৌধুরী ৪ আগস্ট ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের পর ২০১৩ সালের ১৫ মে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গঠন করে মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে মঙ্গলবার মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।

মামলার রায়ে ছেলে মাসুদ আহমদ চৌধুরী মুন্না, তার সহযোগী জাহের আলী ও আনসার আহমদকে মৃত্যুদণ্ড এবং গাড়িচালক বোরহান উদ্দিনকে তিন বছরের সাজা দেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা সবাই পলাতক রয়েছেন। মামলায় ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান দেন।

সিলেট প্রতিনিধি :

০৬ মে, ২০২৫,  11:58 PM

news image

সিলেটে শবে বরাতের রাতে নামাজরত অবস্থায় পিতা শামসুল ইসলাম চৌধুরীকে হত্যার দায়ে ছেলেসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় আরেক আসামিকে তিন বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শাহাদত হোসেন প্রামাণিক এই আদেশ দেন।

মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আইনজীবী শামসুল ইসলাম চৌধুরীর ছেলে মাসুদ আহমদ চৌধুরী মুন্না, তার সহযোগী জাহের আলী ও আনসার আহমদ।

বিভাগীয় বিশেষ জাজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. আনছারুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ২০১১ সালের ১৭ জুলাই শবে বরাতের রাতে নামাজরত অবস্থায় সিলেট নগরের মিরবক্সটুলা এলাকার বাসিন্দা প্রবীণ আইনজীবী শামসুল ইসলাম চৌধুরীকে হত্যা করেন তার ছেলে মাসুদ আহমদ চৌধুরী মুন্না। পেছন থেকে প্রথমে পাথর দিয়ে মাথায় আঘাতের কারণে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে চেতনানাশক ইনজেকশন দিয়ে তাকে অচেতন করা হয়। পরে, গাড়িতে তুলে সুনামগঞ্জের ছাতকের মল্লিকপুর এলাকার সুরমা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

পরে, সুনামগঞ্জের ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামে সুরমা নদীতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় মুন্নাকে গাড়িচালকসহ তিন জন সহযোগিতা করেন। 

আইনজীবীরা আরও জানান, ২০১১ সালে ১৭ জুলাই থেকে আইনজীবী শামসুল ইসলাম চৌধুরী নিখোঁজ রয়েছেন জানিয়ে ১৮ জুলাই সিলেটের কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ছোট ছেলে মাসুদ আহমদ চৌধুরী। বাবার নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি করার চার দিন পর ২২ জুলাই থেকে তিনি নিজেও নিখোঁজ হন। 

এই ঘটনায় শামসুল ইসলাম চৌধুরীর বড় ছেলে মাহমুদ আহমদ চৌধুরী ৪ আগস্ট ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তের পর ২০১৩ সালের ১৫ মে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গঠন করে মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে মঙ্গলবার মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত।

মামলার রায়ে ছেলে মাসুদ আহমদ চৌধুরী মুন্না, তার সহযোগী জাহের আলী ও আনসার আহমদকে মৃত্যুদণ্ড এবং গাড়িচালক বোরহান উদ্দিনকে তিন বছরের সাজা দেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা সবাই পলাতক রয়েছেন। মামলায় ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান দেন।