বিশ্ব বিবেক জাগ্রত হও, স্বল্পসময়ের জীবন ব্যবস্থায় দীর্ঘ মেয়াদী শান্তি দাও
খন্দকার মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ:
০৪ মে, ২০২৫, 9:02 PM
বিশ্ব বিবেক জাগ্রত হও, স্বল্পসময়ের জীবন ব্যবস্থায় দীর্ঘ মেয়াদী শান্তি দাও
ব্যতিক্রমী এক আহবান নিয়ে একজন সংবাদ কর্মী ও উন্নয়ন অনুসন্ধান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার মোহাম্মদ আলী ( বাবু ) বিশ্বে বিবেক বান মানুষের কাছে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন "স্বল্প সময়ের জীবন ব্যবস্হায় দীর্ঘ মেয়াদী শান্তি দাও" এর প্রতিপাদ্য বিষয় সমূহ তুলে ধরেন তিনি । মানুষ সৃষ্টি এবং বেঁচে থাকার লক্ষ,উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন ও তার গন্তব্য জেনো সংকীর্ণ সময়ের স্মৃতি প্রকৃতির কাছে রেখে যায়। এই সংকীর্ণ সময়ে সুখ, দুঃখ, আনন্দ, হাঁসি,কান্না আর জাগতিক দৃশ্যে অপেক্ষমান স্বর্গ ও নরগের মহা বানী জীবনকে সর্বসময় অবহিত করে। পৃথিবীতে আসা এবং পৃথিবী থেকে চলে যাওয়ার মাঝে পাঁপ পুর্নের জীবন ব্যবস্হায় স্রষ্টার আদেশ এবং নিষেধের কথা শ্বরন করিয়ে দেয়।
মায়ের গর্ভে থেকে অবুঝ শিশুটি আত্মপ্রকাশ হওয়া পৃথিবীর বুকে অবিনশ্বর এক প্রকৃতির মেহমান হয়ে অতিক্রম করছে তার নির্ধারিত সময় । শিশু, কিশোর, যুবক অবশেষে বৃদ্ধ হয়ে বয়সের শেষ সীমায় পৌঁছে চিরো গন্তব্যের যাত্রী হয়ে প্রকৃতির বুকে রেখে যাওয়া স্মৃতি অবলোকন করে। বাস্তবতা হলো এই স্বল্পসময়ের জীবন ব্যবস্হায় দীর্ঘ মেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে কতটুকু ভুমিকায় ছিলো এই জীবন, সেটাই একটু দেখার বিষয়। ভৌগোলিক দৃষ্টিতে পৃথিবীতে যতগুলো দেশ বা রাষ্ট্র রয়েছে বিভিন্ন নামে পরিচিত সেসব দেশের মানুষগুলো বিভিন্ন পরিবেশে জীবন চালনা করে থাকে। এর মাঝে রয়েছে ধর্ম ব্যবস্হা যার যেটা পছন্দ সে সেই ধর্মের অনুসারী হয়ে শরণাপর্ন হয় স্রষ্টার আদেশ এবং নিষেধের নীতিমালা অনুসরন করে চলে।প্রত্যেক ধর্মের রয়েছে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষের বিবেক সম্মত জ্ঞানের প্রকাশ । এই বিবেক সম্মত জ্ঞানের মাধ্যমে মানুষ প্রকৃতির মাঝে শ্রেষ্ঠতম স্থান পেয়েছে যা বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থে প্রকাশিত ও দৃশ্যমান। বিবেকহীন মানুষগুলো পশুর মতো এবং সয়তানের অনুসারী হওয়ায় ধ্বংসের পান্ডলিপি তার মস্তিষ্কে সর্বক্ষণ কার্যক্রম চালু রাখে। যারদরুন পৃথিবীতে কেউ ধ্ধংস করে আনন্দ পায় আবার কেউবা ধ্বংসের দৃশ্যমান বস্তুকে সরিয়ে স্হাপন করে নতুন নির্মাণ। তাহলে এবার পৃথিবীতে দৃশ্যমান মানুষগুলোর জীবন দশায় ন্যায় এবং অন্যায়ের পক্ষে বিপক্ষের যোদ্ধা হয়ে সে কতটুকু শান্তি এবং অশান্তি বিরাজ করছে সে বিষয়ে বিবেকই একমাত্র ন্যায় বিচারকের মহাবিচারের ভূমিকায় রয়েছে। এবার বিবেককে প্রশ্ন করুন আপনার দ্বারা পৃথিবীতে অশান্তি বিরাজ করছে না শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়েছে। প্রত্যেক জীবনের লক্ষ আছে, উদ্দেশ্য আছে,বাস্তবায়ন আছে অবশেষে গন্তব্যও আছে। তাই চির গন্তব্যে যাওয়ার পূর্বেই ভেবে নেওয়া প্রয়োজন শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে জগতে শ্রেষ্ঠত্বম কাজ নিজের দ্বারা কোনটি প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। সেই প্রতিষ্ঠিত কর্মের ধারক বাহক হয়ে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য দীর্ঘ মেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠায় অংশগ্রহণ করবে তবেই জন্ম সার্থক হবে । প্রকৃতির সকল কল্যাণ অপেক্ষা করবে আমাদের জন্য তথা বিবেকবান মানুষের জন্য। বিশ্ব বিবেকের কাছে প্রত্যাশা সয়তানের মস্তিষ্কে আবদ্ধ ধ্ধংসাত্বক কার্যক্রম ছেড়ে বিবেকবান মস্তিষ্কে আত্মার অমিয় শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বে অবুঝ মানুষগুলোকে বিবেকের আলোয় জাগ্রত করা হোক।
খন্দকার মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ:
০৪ মে, ২০২৫, 9:02 PM
ব্যতিক্রমী এক আহবান নিয়ে একজন সংবাদ কর্মী ও উন্নয়ন অনুসন্ধান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার মোহাম্মদ আলী ( বাবু ) বিশ্বে বিবেক বান মানুষের কাছে উপস্থাপন করতে চেয়েছেন "স্বল্প সময়ের জীবন ব্যবস্হায় দীর্ঘ মেয়াদী শান্তি দাও" এর প্রতিপাদ্য বিষয় সমূহ তুলে ধরেন তিনি । মানুষ সৃষ্টি এবং বেঁচে থাকার লক্ষ,উদ্দেশ্য, বাস্তবায়ন ও তার গন্তব্য জেনো সংকীর্ণ সময়ের স্মৃতি প্রকৃতির কাছে রেখে যায়। এই সংকীর্ণ সময়ে সুখ, দুঃখ, আনন্দ, হাঁসি,কান্না আর জাগতিক দৃশ্যে অপেক্ষমান স্বর্গ ও নরগের মহা বানী জীবনকে সর্বসময় অবহিত করে। পৃথিবীতে আসা এবং পৃথিবী থেকে চলে যাওয়ার মাঝে পাঁপ পুর্নের জীবন ব্যবস্হায় স্রষ্টার আদেশ এবং নিষেধের কথা শ্বরন করিয়ে দেয়।
মায়ের গর্ভে থেকে অবুঝ শিশুটি আত্মপ্রকাশ হওয়া পৃথিবীর বুকে অবিনশ্বর এক প্রকৃতির মেহমান হয়ে অতিক্রম করছে তার নির্ধারিত সময় । শিশু, কিশোর, যুবক অবশেষে বৃদ্ধ হয়ে বয়সের শেষ সীমায় পৌঁছে চিরো গন্তব্যের যাত্রী হয়ে প্রকৃতির বুকে রেখে যাওয়া স্মৃতি অবলোকন করে। বাস্তবতা হলো এই স্বল্পসময়ের জীবন ব্যবস্হায় দীর্ঘ মেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে কতটুকু ভুমিকায় ছিলো এই জীবন, সেটাই একটু দেখার বিষয়। ভৌগোলিক দৃষ্টিতে পৃথিবীতে যতগুলো দেশ বা রাষ্ট্র রয়েছে বিভিন্ন নামে পরিচিত সেসব দেশের মানুষগুলো বিভিন্ন পরিবেশে জীবন চালনা করে থাকে। এর মাঝে রয়েছে ধর্ম ব্যবস্হা যার যেটা পছন্দ সে সেই ধর্মের অনুসারী হয়ে শরণাপর্ন হয় স্রষ্টার আদেশ এবং নিষেধের নীতিমালা অনুসরন করে চলে।প্রত্যেক ধর্মের রয়েছে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মানুষের বিবেক সম্মত জ্ঞানের প্রকাশ । এই বিবেক সম্মত জ্ঞানের মাধ্যমে মানুষ প্রকৃতির মাঝে শ্রেষ্ঠতম স্থান পেয়েছে যা বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্থে প্রকাশিত ও দৃশ্যমান। বিবেকহীন মানুষগুলো পশুর মতো এবং সয়তানের অনুসারী হওয়ায় ধ্বংসের পান্ডলিপি তার মস্তিষ্কে সর্বক্ষণ কার্যক্রম চালু রাখে। যারদরুন পৃথিবীতে কেউ ধ্ধংস করে আনন্দ পায় আবার কেউবা ধ্বংসের দৃশ্যমান বস্তুকে সরিয়ে স্হাপন করে নতুন নির্মাণ। তাহলে এবার পৃথিবীতে দৃশ্যমান মানুষগুলোর জীবন দশায় ন্যায় এবং অন্যায়ের পক্ষে বিপক্ষের যোদ্ধা হয়ে সে কতটুকু শান্তি এবং অশান্তি বিরাজ করছে সে বিষয়ে বিবেকই একমাত্র ন্যায় বিচারকের মহাবিচারের ভূমিকায় রয়েছে। এবার বিবেককে প্রশ্ন করুন আপনার দ্বারা পৃথিবীতে অশান্তি বিরাজ করছে না শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়েছে। প্রত্যেক জীবনের লক্ষ আছে, উদ্দেশ্য আছে,বাস্তবায়ন আছে অবশেষে গন্তব্যও আছে। তাই চির গন্তব্যে যাওয়ার পূর্বেই ভেবে নেওয়া প্রয়োজন শ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে জগতে শ্রেষ্ঠত্বম কাজ নিজের দ্বারা কোনটি প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। সেই প্রতিষ্ঠিত কর্মের ধারক বাহক হয়ে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য দীর্ঘ মেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠায় অংশগ্রহণ করবে তবেই জন্ম সার্থক হবে । প্রকৃতির সকল কল্যাণ অপেক্ষা করবে আমাদের জন্য তথা বিবেকবান মানুষের জন্য। বিশ্ব বিবেকের কাছে প্রত্যাশা সয়তানের মস্তিষ্কে আবদ্ধ ধ্ধংসাত্বক কার্যক্রম ছেড়ে বিবেকবান মস্তিষ্কে আত্মার অমিয় শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বে অবুঝ মানুষগুলোকে বিবেকের আলোয় জাগ্রত করা হোক।