নৌ অ্যাম্বুলেন্স চাই কয়রাবাসীর প্রাণের দাবি
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ
০৪ মে, ২০২৫, 8:13 PM
নৌ অ্যাম্বুলেন্স চাই কয়রাবাসীর প্রাণের দাবি
খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রার নদীবেষ্টিত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে “নৌ অ্যাম্বুলেন্স” সরবরাহের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে।
রবিবার সকাল ১১টায় ‘উপকূল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলন’-এর ব্যানারে কয়রার সচেতন নাগরিক, যুব প্রতিনিধি ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে এ স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, কয়রার অধিকাংশ এলাকা নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রোগী পরিবহন কঠিন হয়ে পড়ে। দক্ষিণ বেদকাশী, উত্তর বেদকাশী, মহেশ্বরীপুরসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে জরুরি চিকিৎসাসেবায় নৌযানই একমাত্র ভরসা। সড়কপথ না থাকায় সময়মতো চিকিৎসা কেন্দ্রে পৌঁছানো কঠিন হয়ে ওঠে, যা অনেক সময় জীবনহানির কারণ হয়।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, উপজেলা সদর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরের দক্ষিণ বেদকাশীর মতো এলাকায় একটি নৌ অ্যাম্বুলেন্স চালু করা এখন সময়ের দাবি। স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা ছাড়া কিছু না পাওয়ায় জটিল রোগীদের জন্য নৌ অ্যাম্বুলেন্সই হতে পারে জীবন বাঁচানোর একমাত্র পথ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘উপকূল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলন’-এর যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ আনোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, কয়রা প্রেসক্লাব সভাপতি সদর উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, কয়রা সাংবাদিক ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবির হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরো কয়রা শাখার সভাপতি তরিকুল ইসলাম, শিক্ষক মেসবাহউদ্দিন, কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দীনসহ আরও অনেকে।
স্থানীয়দের দাবি, নৌ অ্যাম্বুলেন্স চালু হলে কয়রার দুর্গম অঞ্চলের মানুষ চিকিৎসা সেবা পেতে এক নতুন আশার মুখ দেখবে।
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ
০৪ মে, ২০২৫, 8:13 PM
খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রার নদীবেষ্টিত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে “নৌ অ্যাম্বুলেন্স” সরবরাহের দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে।
রবিবার সকাল ১১টায় ‘উপকূল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলন’-এর ব্যানারে কয়রার সচেতন নাগরিক, যুব প্রতিনিধি ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে এ স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, কয়রার অধিকাংশ এলাকা নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে রোগী পরিবহন কঠিন হয়ে পড়ে। দক্ষিণ বেদকাশী, উত্তর বেদকাশী, মহেশ্বরীপুরসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে জরুরি চিকিৎসাসেবায় নৌযানই একমাত্র ভরসা। সড়কপথ না থাকায় সময়মতো চিকিৎসা কেন্দ্রে পৌঁছানো কঠিন হয়ে ওঠে, যা অনেক সময় জীবনহানির কারণ হয়।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, উপজেলা সদর থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরের দক্ষিণ বেদকাশীর মতো এলাকায় একটি নৌ অ্যাম্বুলেন্স চালু করা এখন সময়ের দাবি। স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা ছাড়া কিছু না পাওয়ায় জটিল রোগীদের জন্য নৌ অ্যাম্বুলেন্সই হতে পারে জীবন বাঁচানোর একমাত্র পথ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘উপকূল ও সুন্দরবন সংরক্ষণ আন্দোলন’-এর যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ আনোয়ার হোসেন, সদস্য সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, কয়রা প্রেসক্লাব সভাপতি সদর উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, কয়রা সাংবাদিক ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবির হোসেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার ব্যুরো কয়রা শাখার সভাপতি তরিকুল ইসলাম, শিক্ষক মেসবাহউদ্দিন, কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দীনসহ আরও অনেকে।
স্থানীয়দের দাবি, নৌ অ্যাম্বুলেন্স চালু হলে কয়রার দুর্গম অঞ্চলের মানুষ চিকিৎসা সেবা পেতে এক নতুন আশার মুখ দেখবে।