সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্পের উন্নয়ন দুর্নীতিবাজদের হাতে হচ্ছে সংরক্ষণ
খন্দকার মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ:
৩০ এপ্রিল, ২০২৫, 11:12 PM
সিরাজগঞ্জের তাঁত শিল্পের উন্নয়ন দুর্নীতিবাজদের হাতে হচ্ছে সংরক্ষণ
সিরাজগঞ্জ জেলার নয়টি উপজেলার মধ্যে বেলকুচি, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, এনায়েতপুর থানা এলাকা জুড়ে রয়েছে বিদ্যুৎ চালিত পাওয়ারলুম। আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্রাচীন এই শিল্পটি আজ নতুন ভাবে সমাদৃত হলেও পূর্বের চেয়ে জনস্বাস্থ্য ক্ষতিকর দিকটাই বেশি প্রতিওমান। একসময় কাঠের তৈরি তাঁত শিল্পে শ্রমিকেরা হাতে বুনানো শাড়ি,লুঙ্গি ও গামছা তৈরিতে কালের বিবর্তনে বর্তমানে স্থাপিত হচ্ছে বিদ্যুৎ চালিত পাওয়ারলুম। পাওয়ালুমে উৎপাদিত পন্য লুঙ্গি, শাড়ি, গামছা অনেক গুনে বৃদ্ধি পেয়েছে যার ফলে মহাজনের আয় ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁত শ্রমিকরা নিয্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ১ লা মে দিবসে তাঁত শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এলাকার শ্রমিকেরা সংঘঠনের আশ্রয় খুঁজছেন।
এই পেশায় ক্ষুদ্র ব্যাবসায়িরা চড়া দামে রং, সূতা ও বিভিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে তৈরি করছে এসব পন্য সামগ্রী । এদের আয় এবং ব্যয়ের হিসেবটা পেশার বাহিরে থেকে বোঝা কঠিন হলেও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যাবসা পরিচালনা করা ব্যক্তিরা কতটুকু সুবিধা পাচ্ছে দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখলেই বোঝা যায়। যদিও এর মাঝে রয়েছে সুবিধা বাদী দুর্নীতিবাজদের নেটওয়ার্ক। একসময় অবৈধভাবে স্বল্পমূল্যে ভারত থেকে সূতা এনে সিন্ডিকেট ভুক্ত সদস্যদের মাঝে বিতরন করে রাতারাতি কিছু ব্যাবসায়ি অকল্পনীয় উন্নয়ন করেছে। এদের ক্ষপ্পরে পড়ে নামিদামি কোম্পানির অসাধু ব্যক্তিরা সিন্ডিকেট করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের চড়ম ভাবে বিপাকে ফেলেছে। এর মাঝে যুক্ত রয়েছে অসৎ কিছু ব্যাংক কর্মকর্তা তাদের ছত্রছায়ায় অবৈধ ব্যাবসায়িরা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে অবৈধ পন্থায় কোটি কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ নিয়ে নানা কৌশলে জিরো থেকে হিরো হয়েছে।
এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাঁত মালিক জানান, তাঁত শিল্পে অনৈতিক ভাবে ব্যাংক ঋণ পাওয়া ব্যক্তিদের ঋণের ধরন সহ বৈধ কাগজ পত্রর তথ্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। শুধুমাত্র কতিপয় ব্যক্তি ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে সক্ষতা গড়ে তুলে গোপনে কমিশন বানিজ্যের মাধ্যমে ঋণ নিয়ে এই শিল্পে সরকারের দেওয়া সকল সুবিধা ভোগ করছে অপরদিকে ক্ষুদ্র ব্যাবসায়িরা সরকারের দেওয়া সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উন্নয়ন অনুসন্ধান ফাউন্ডেশনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদক ও তথ্য সংগ্রহকারী ব্যক্তিরা বেলকুচি ও শাহজাদপুর উপজেলায় অবৈধ ভাবে ব্যাংক ঋণ পাওয়া ব্যক্তিদের তথ্য উদঘাটন করে দুর্নীতিবাজদের মুখোশ খুলে দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাঙ্গানো হবে বলে প্রয়োজনীয় সহায়তা চেয়েছেন প্রশাসনের।
দুর্নীতিরবাজদের নগ্নথাবা এই শিল্পের উন্নয়নকে জিম্মি করে রেখেছে। এই শিল্পে হাজার হাজার নারী-পুরুষ নিরলস ভাবে কাজ করলেও শ্রমিকরা নিয্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তামাইয়ের তাঁত শ্রমিক ইউসুফ জানান, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে নেই কোন সংগঠন অপরদিকে তাঁত মালিকদের সিন্ডিকেট ব্যাপকভাবে বিস্তার করে আসছে চারিদিকে। এর মাঝে রয়েছে প্রশাসনের সিন্ডিকেট, পাওয়ারলুম সমিতির সিন্ডিকেট, রং ও সূতা ব্যাবসায়িদের সিন্ডিকেট, প্রসেস মিল মালিকদের সিন্ডিকেট, পকেট ভাড়ি করার গোপন দলীয় সিন্ডিকেট যাদের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে অসৎ তাঁত ব্যাবসায়িরা দিনের পর দিন একই অবস্থানে বহাল তবিয়তে কাজ করে যাচ্ছে। এর মাঝে শব্দ দুষণ, বায়ু দুষণ, পানি দুষণসহ জনসাস্থ্য ক্ষতিকর দিকগুলো অন্ধের মতো চোখে পড়েনা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের।
এই বিষয়ে দায়িত্বশীল দপ্তরের কর্মকর্তারা পকেট ভাড়ি করে বসে থাকে। অসুস্থতায় মৃত্যুর ঝুকি নিয়ে ভুক্তভোগীরা নিরাশায় আর্তনাদ করে। গণমাধ্যম কর্মীরা তাঁত শিল্পের ভালো এবং মন্দের দিকগুলো প্রতিবেদনে তুলে ধরলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় পড়ার সময় নেই তারা জেনো অন্ধের ভুমিকায় রয়েছে। তাঁত মালিকদের বসত বাড়ির আঙ্গিনায় পরিকল্পনাহীন ক্ষতিকর দিক না দেখে পরিবেশ বিনষ্ট করছে যার কারনে শব্দ দুষণ,রং সূতা প্রসেজে কেমিক্যালে পানি দুষণ,তাঁতের ফেব্রিক্সের ধুলিকনা বাতাসে ছড়িয়ে অসুস্থ হচ্ছে এই এলাকার মানুষ। অনেক শিশু ও মানসিক প্রতিবন্ধী হচ্ছে, শব্দ দুষণে মানুষের মেজাজ খিটখিটে হচ্ছে দুষিত পানি সেবন করে জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এই শিল্পে একদিকে যেমন হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে অপরদিকে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে এই কর্মই যেনো অসুস্থতায় মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে সঠিক পরিকল্পনা না থাকায় বেড়েই চলেছে অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া।
এলাকাবাসীর দাবী পরিবেশ অধিদপ্তর স্হানীয় প্রাশাসন ও সিন্ডিকেট ভুক্ত দুর্নীতিবাজদের কাছে অভিযোগ না দিয়ে নিজেরাই নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য পথ খুঁজতে হবে কারণ ইতিপূর্বেই বিভিন্ন দপ্তরে ও গণমাধ্যমে প্রকাশ করেও এ বিষয়ে কোন সমাধান হয়নি । এই তাঁত শিল্পটি দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে রক্ষা করে সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন জীবিকার পথ সুগম করতে হবে । এছাড়া সংশ্লিষ্ট অন্ধ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়ে কেন লাভ নেই বিষয়টি জাতীয় উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আবারো এলাকাবাসীর গণমাধ্যমে তুলে ধরেন।
খন্দকার মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ:
৩০ এপ্রিল, ২০২৫, 11:12 PM
সিরাজগঞ্জ জেলার নয়টি উপজেলার মধ্যে বেলকুচি, শাহজাদপুর, উল্লাপাড়া, এনায়েতপুর থানা এলাকা জুড়ে রয়েছে বিদ্যুৎ চালিত পাওয়ারলুম। আধুনিকতার ছোঁয়ায় প্রাচীন এই শিল্পটি আজ নতুন ভাবে সমাদৃত হলেও পূর্বের চেয়ে জনস্বাস্থ্য ক্ষতিকর দিকটাই বেশি প্রতিওমান। একসময় কাঠের তৈরি তাঁত শিল্পে শ্রমিকেরা হাতে বুনানো শাড়ি,লুঙ্গি ও গামছা তৈরিতে কালের বিবর্তনে বর্তমানে স্থাপিত হচ্ছে বিদ্যুৎ চালিত পাওয়ারলুম। পাওয়ালুমে উৎপাদিত পন্য লুঙ্গি, শাড়ি, গামছা অনেক গুনে বৃদ্ধি পেয়েছে যার ফলে মহাজনের আয় ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তাঁত শ্রমিকরা নিয্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ১ লা মে দিবসে তাঁত শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য এলাকার শ্রমিকেরা সংঘঠনের আশ্রয় খুঁজছেন।
এই পেশায় ক্ষুদ্র ব্যাবসায়িরা চড়া দামে রং, সূতা ও বিভিন্ন উপাদান সংগ্রহ করে তৈরি করছে এসব পন্য সামগ্রী । এদের আয় এবং ব্যয়ের হিসেবটা পেশার বাহিরে থেকে বোঝা কঠিন হলেও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যাবসা পরিচালনা করা ব্যক্তিরা কতটুকু সুবিধা পাচ্ছে দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখলেই বোঝা যায়। যদিও এর মাঝে রয়েছে সুবিধা বাদী দুর্নীতিবাজদের নেটওয়ার্ক। একসময় অবৈধভাবে স্বল্পমূল্যে ভারত থেকে সূতা এনে সিন্ডিকেট ভুক্ত সদস্যদের মাঝে বিতরন করে রাতারাতি কিছু ব্যাবসায়ি অকল্পনীয় উন্নয়ন করেছে। এদের ক্ষপ্পরে পড়ে নামিদামি কোম্পানির অসাধু ব্যক্তিরা সিন্ডিকেট করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়িদের চড়ম ভাবে বিপাকে ফেলেছে। এর মাঝে যুক্ত রয়েছে অসৎ কিছু ব্যাংক কর্মকর্তা তাদের ছত্রছায়ায় অবৈধ ব্যাবসায়িরা অনৈতিক সুবিধা নিয়ে অবৈধ পন্থায় কোটি কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ নিয়ে নানা কৌশলে জিরো থেকে হিরো হয়েছে।
এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তাঁত মালিক জানান, তাঁত শিল্পে অনৈতিক ভাবে ব্যাংক ঋণ পাওয়া ব্যক্তিদের ঋণের ধরন সহ বৈধ কাগজ পত্রর তথ্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। শুধুমাত্র কতিপয় ব্যক্তি ব্যাংক কর্মকর্তাদের সাথে সক্ষতা গড়ে তুলে গোপনে কমিশন বানিজ্যের মাধ্যমে ঋণ নিয়ে এই শিল্পে সরকারের দেওয়া সকল সুবিধা ভোগ করছে অপরদিকে ক্ষুদ্র ব্যাবসায়িরা সরকারের দেওয়া সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উন্নয়ন অনুসন্ধান ফাউন্ডেশনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদক ও তথ্য সংগ্রহকারী ব্যক্তিরা বেলকুচি ও শাহজাদপুর উপজেলায় অবৈধ ভাবে ব্যাংক ঋণ পাওয়া ব্যক্তিদের তথ্য উদঘাটন করে দুর্নীতিবাজদের মুখোশ খুলে দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাঙ্গানো হবে বলে প্রয়োজনীয় সহায়তা চেয়েছেন প্রশাসনের।
দুর্নীতিরবাজদের নগ্নথাবা এই শিল্পের উন্নয়নকে জিম্মি করে রেখেছে। এই শিল্পে হাজার হাজার নারী-পুরুষ নিরলস ভাবে কাজ করলেও শ্রমিকরা নিয্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তামাইয়ের তাঁত শ্রমিক ইউসুফ জানান, শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে নেই কোন সংগঠন অপরদিকে তাঁত মালিকদের সিন্ডিকেট ব্যাপকভাবে বিস্তার করে আসছে চারিদিকে। এর মাঝে রয়েছে প্রশাসনের সিন্ডিকেট, পাওয়ারলুম সমিতির সিন্ডিকেট, রং ও সূতা ব্যাবসায়িদের সিন্ডিকেট, প্রসেস মিল মালিকদের সিন্ডিকেট, পকেট ভাড়ি করার গোপন দলীয় সিন্ডিকেট যাদের মাধ্যমে টাকার বিনিময়ে অসৎ তাঁত ব্যাবসায়িরা দিনের পর দিন একই অবস্থানে বহাল তবিয়তে কাজ করে যাচ্ছে। এর মাঝে শব্দ দুষণ, বায়ু দুষণ, পানি দুষণসহ জনসাস্থ্য ক্ষতিকর দিকগুলো অন্ধের মতো চোখে পড়েনা সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের।
এই বিষয়ে দায়িত্বশীল দপ্তরের কর্মকর্তারা পকেট ভাড়ি করে বসে থাকে। অসুস্থতায় মৃত্যুর ঝুকি নিয়ে ভুক্তভোগীরা নিরাশায় আর্তনাদ করে। গণমাধ্যম কর্মীরা তাঁত শিল্পের ভালো এবং মন্দের দিকগুলো প্রতিবেদনে তুলে ধরলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় পড়ার সময় নেই তারা জেনো অন্ধের ভুমিকায় রয়েছে। তাঁত মালিকদের বসত বাড়ির আঙ্গিনায় পরিকল্পনাহীন ক্ষতিকর দিক না দেখে পরিবেশ বিনষ্ট করছে যার কারনে শব্দ দুষণ,রং সূতা প্রসেজে কেমিক্যালে পানি দুষণ,তাঁতের ফেব্রিক্সের ধুলিকনা বাতাসে ছড়িয়ে অসুস্থ হচ্ছে এই এলাকার মানুষ। অনেক শিশু ও মানসিক প্রতিবন্ধী হচ্ছে, শব্দ দুষণে মানুষের মেজাজ খিটখিটে হচ্ছে দুষিত পানি সেবন করে জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এই শিল্পে একদিকে যেমন হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে অপরদিকে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে এই কর্মই যেনো অসুস্থতায় মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে সঠিক পরিকল্পনা না থাকায় বেড়েই চলেছে অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়া।
এলাকাবাসীর দাবী পরিবেশ অধিদপ্তর স্হানীয় প্রাশাসন ও সিন্ডিকেট ভুক্ত দুর্নীতিবাজদের কাছে অভিযোগ না দিয়ে নিজেরাই নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য পথ খুঁজতে হবে কারণ ইতিপূর্বেই বিভিন্ন দপ্তরে ও গণমাধ্যমে প্রকাশ করেও এ বিষয়ে কোন সমাধান হয়নি । এই তাঁত শিল্পটি দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে রক্ষা করে সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন জীবিকার পথ সুগম করতে হবে । এছাড়া সংশ্লিষ্ট অন্ধ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়ে কেন লাভ নেই বিষয়টি জাতীয় উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আবারো এলাকাবাসীর গণমাধ্যমে তুলে ধরেন।