ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বদরগঞ্জে লাভলু হত্যার ঘটনায় রাস্তায় শুয়ে প্রতিবাদ ও  মানববন্ধন 

#
news image

রংপুরের বদরগঞ্জে দোকান ভাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে বিএনপি নেতা লাভলু সরকার হত্যাকান্ডের ঘটনায় আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার (২৩ এপ্রিল) শত শত মানুষ হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রাস্তায় শুয়ে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেন। বদরগঞ্জ পৌরশহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্তর থেকে সড়কের উভয়পাশে মানুষের স্বঃতফুর্ত মানববন্ধন সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি ও বিএনপি নেতা (সদ্য বহিস্কৃত) মোহাম্মদ আলী সরকার, হুমায়ুন কবির মানিক, আশরাফুল ইসলাম সংগ্রাম, সুমন সর্দার, বিএনপি নেতা আবুজার গিফারী মন্টু প্রমুখ।

আরও উপস্থিত  ছিলেন, নিহত লাভলু’র  স্ত্রী রাহেনা বেগম, মেয়ে লাবনী আক্তার, ছেলে মামলার বাদী রায়হান কবীর ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন।

গত ৫ই এপ্রিল ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে একটি ঢেউটিন দোকানঘর ভাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের ঘটনায় বিএনপি নেতা লাভলু সরকারকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়ে অভিযোগে উল্লেখ করে উপজেলার কালুপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিক ও তার ছেলে তানভির আহম্মেদ তমালকে। একাধিক হত্যাকাণ্ডের মুলহোতা অভিযুক্ত শহিদুল হক মানিককে দ্রুত গ্রেপ্তার ও তার চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণের দাবীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর  স্মারকলিপি প্রদান করে।

মানববন্ধনে  বক্তারা বলেন, অভিযুক্ত মানিক চেয়ারম্যান ও তার ছেলে তমাল দিনে-দুপুরে প্রকাশ্যে লাভলু সরকারকে কুপিয়ে হত্যা করিলেও এখনও ঘাতকেরা গ্রেপ্তার হয়নি। অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে ধরেছে পুলিশ। প্রশাসনের নিরব ভুমিকার জন্য মাস্টারমাইন্ড মানিক ও তার ছেলেসহ মুল ষড়যন্ত্রকারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না বলে দাবি জানায়।। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খুনি ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়ার বিষয়ে  মানববন্ধনে জানিয়ে দেয়।

উল্লেখ্য গত ৫ই এপ্রিল বদরগঞ্জ পৌরশহরে দোকান ঘরকে কেন্দ্র করে আলহাজ্ব লাভলু সরকারকে (৫২) দিনে দুপুরে কুপিয়ে হত্যা করে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উপজেলার কালুপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিক ও তার ছেলে তানভির আহম্মেদ তমাল, বদরগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি সরওয়ার জাহান মানিকসহ ১২জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়। এতে আরো ১০০/১৫০ জনকে অজ্ঞাত হিসেবে আসামী করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের শিকার লাভলু সরকারের ছেলে রায়হান কবীর বাদী হয়ে মামলা করেন। কিন্তু এখনও প্রকৃত দোষি ব্যক্তিদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বিদ্যুৎ মজুমদার জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ঘাতকদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলমান। এরমধ্যে ৮জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

সবুজ আহম্মেদ,বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধিঃ

২৩ এপ্রিল, ২০২৫,  11:41 PM

news image

রংপুরের বদরগঞ্জে দোকান ভাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে বিএনপি নেতা লাভলু সরকার হত্যাকান্ডের ঘটনায় আসামীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার (২৩ এপ্রিল) শত শত মানুষ হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রাস্তায় শুয়ে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেন। বদরগঞ্জ পৌরশহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্তর থেকে সড়কের উভয়পাশে মানুষের স্বঃতফুর্ত মানববন্ধন সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি ও বিএনপি নেতা (সদ্য বহিস্কৃত) মোহাম্মদ আলী সরকার, হুমায়ুন কবির মানিক, আশরাফুল ইসলাম সংগ্রাম, সুমন সর্দার, বিএনপি নেতা আবুজার গিফারী মন্টু প্রমুখ।

আরও উপস্থিত  ছিলেন, নিহত লাভলু’র  স্ত্রী রাহেনা বেগম, মেয়ে লাবনী আক্তার, ছেলে মামলার বাদী রায়হান কবীর ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন।

গত ৫ই এপ্রিল ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে একটি ঢেউটিন দোকানঘর ভাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বের ঘটনায় বিএনপি নেতা লাভলু সরকারকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার বিষয়ে অভিযোগে উল্লেখ করে উপজেলার কালুপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিক ও তার ছেলে তানভির আহম্মেদ তমালকে। একাধিক হত্যাকাণ্ডের মুলহোতা অভিযুক্ত শহিদুল হক মানিককে দ্রুত গ্রেপ্তার ও তার চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণের দাবীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর  স্মারকলিপি প্রদান করে।

মানববন্ধনে  বক্তারা বলেন, অভিযুক্ত মানিক চেয়ারম্যান ও তার ছেলে তমাল দিনে-দুপুরে প্রকাশ্যে লাভলু সরকারকে কুপিয়ে হত্যা করিলেও এখনও ঘাতকেরা গ্রেপ্তার হয়নি। অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে ধরেছে পুলিশ। প্রশাসনের নিরব ভুমিকার জন্য মাস্টারমাইন্ড মানিক ও তার ছেলেসহ মুল ষড়যন্ত্রকারীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না বলে দাবি জানায়।। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে খুনি ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়ার বিষয়ে  মানববন্ধনে জানিয়ে দেয়।

উল্লেখ্য গত ৫ই এপ্রিল বদরগঞ্জ পৌরশহরে দোকান ঘরকে কেন্দ্র করে আলহাজ্ব লাভলু সরকারকে (৫২) দিনে দুপুরে কুপিয়ে হত্যা করে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উপজেলার কালুপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল হক মানিক ও তার ছেলে তানভির আহম্মেদ তমাল, বদরগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি সরওয়ার জাহান মানিকসহ ১২জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়। এতে আরো ১০০/১৫০ জনকে অজ্ঞাত হিসেবে আসামী করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের শিকার লাভলু সরকারের ছেলে রায়হান কবীর বাদী হয়ে মামলা করেন। কিন্তু এখনও প্রকৃত দোষি ব্যক্তিদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বিদ্যুৎ মজুমদার জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ঘাতকদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলমান। এরমধ্যে ৮জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।