ঢাকা ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
আবারো পেছালো চট্টগ্রাম-২ আসনের বিএনপি প্রার্থীর আপিলঃ চুড়ান্ত শুনানি ৫মে নির্ধারণ নাসিরনগরে ৩৫ হাজার মানুষের কান্না: ‘মুক্তি বাড়ি’ সড়ক এখন জনপদের মরণফাঁদ ! বড়লেখায় ডাকাতের গুলিতে ডাকাত সদস্য নিহত বেলকুচি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ফরিদপুরে মা-মেয়েসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা: প্রধান আসামি আকাশ গ্রেপ্তার গাজীপুরে টঙ্গীতে হাজী বস্তিতে অভিযান, মাদক সেবনরত ৩০ জন আটক কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে স্যার ফজলে হাসান আবেদের ৯০তম জন্মদিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

হবিগঞ্জ জেলা শহরের বিভিন্ন ফুড কারখানাগুলোতে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের অভিযান

#
news image

হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ফুড কারখানাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার বিকালে হবিগঞ্জের ইতিহাসে প্রথমবার অভিযান পরিচালনা করেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কামরুল হাসান। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দেশের চলমান খাদ্যের ভেজাল নির্মূলে বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে প্রথমে আনোয়ারপুর বাইপাস রোডস্থ এলাকায় জয়দীপ মিষ্টান্ন ভান্ডারের কারখানায় অভিযান করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে আনোয়ারপুর বাইপাস এলাকার জয়দীপ মিষ্টান্ন ভান্ডারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি ও জিলাপী উৎপাদন, মিষ্টি ও জিলাপী উপকরণ লেবেল বিহীন সংরক্ষণ করা হয়। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩২ ক, ৩৩ ধারা লংঘন করায় উক্ত আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে প্রসিকিউশন রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে মেসার্স বিসমিল্লাহ ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি, কামড়াপুর বাইপাস রোডস্থ বেলাল আহমেদের কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানেও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিস্কুট ও পাউরুটি উৎপাদন, বিস্কুট ও উপকরণ লেবেল বিহীন সংরক্ষণ করা হয়।

নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩২ ক, ৩৩ ও ৩৬ ধারা লংঘন করায় উক্ত আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে প্রসিকিউশন রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। তারপর চৌধুরী বাজার পুলিশ ফাঁড়ি রোডস্থ মেসার্স শাহজালাল ওয়েল মিল, চৌধুরী বাজারস্থ মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টার প্রাইজ (পাইকারী ফল বিক্রেতা), হবিগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী মেসার্স আদি গোপাল আদি গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই তিন প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সহ সার্বিক দিক পর্যাবেক্ষণ করে যে বিষয়টি সামান্য ত্রুটি বিচ্যুতি পরিলতি হয় সেই বিষয়ে উপস্থিত মালিকপকে সতর্ক করা হয়। মেসার্স আদি গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডারের বিএসটিআই এর সার্টিফিকেট নবায়ন না থাকায় সেই বিষয়ে আগামী সাত কার্য দিবসের মধ্যে নবায়ন করে লিখিতভাবে আদালতকে অবহিত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।

এখানে উল্লেখ যে, প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স সঠিক পাওয়া যায়। অভিযানকালে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর অপরাধ দন্ড ও পূনঃ অপরাধের দন্ড এর রঙ্গিন লিফলেট বিতরণসহ নিরাপদ খাদ্য আইনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ প্রতিপালনে সর্তকীকরণ করা হয়। সর্তকীকরণ বিষয়ে নিরাপদ খাদ্য আদালতের পরবর্তী অভিযানে ত্রুটি বিচ্যুতি পরিলতি হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা মর্মে সতর্ক করা হয়।

এ ছাড়াও অভিযানে ছিলেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিফাত উল্লাহ, র‌্যাব-০৯ (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প) এর ডিএডি কাজী মোঃ মিজানুর রহমান ও তার সঙ্গীয় ফোর্স, নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ সাকিব হোসান, এসআই রুহুল আমিন, জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ফরিদা ইয়াসমিন সহ পুলিশ সদস্যরা।

মোঃ রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

১৫ মার্চ, ২০২৫,  5:31 PM

news image

হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ফুড কারখানাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার বিকালে হবিগঞ্জের ইতিহাসে প্রথমবার অভিযান পরিচালনা করেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ কামরুল হাসান। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দেশের চলমান খাদ্যের ভেজাল নির্মূলে বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে প্রথমে আনোয়ারপুর বাইপাস রোডস্থ এলাকায় জয়দীপ মিষ্টান্ন ভান্ডারের কারখানায় অভিযান করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকালে আনোয়ারপুর বাইপাস এলাকার জয়দীপ মিষ্টান্ন ভান্ডারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি ও জিলাপী উৎপাদন, মিষ্টি ও জিলাপী উপকরণ লেবেল বিহীন সংরক্ষণ করা হয়। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩২ ক, ৩৩ ধারা লংঘন করায় উক্ত আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে প্রসিকিউশন রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে মেসার্স বিসমিল্লাহ ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি, কামড়াপুর বাইপাস রোডস্থ বেলাল আহমেদের কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানেও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিস্কুট ও পাউরুটি উৎপাদন, বিস্কুট ও উপকরণ লেবেল বিহীন সংরক্ষণ করা হয়।

নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর ৩২ ক, ৩৩ ও ৩৬ ধারা লংঘন করায় উক্ত আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে প্রসিকিউশন রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। তারপর চৌধুরী বাজার পুলিশ ফাঁড়ি রোডস্থ মেসার্স শাহজালাল ওয়েল মিল, চৌধুরী বাজারস্থ মেসার্স বিসমিল্লাহ এন্টার প্রাইজ (পাইকারী ফল বিক্রেতা), হবিগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী মেসার্স আদি গোপাল আদি গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই তিন প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সহ সার্বিক দিক পর্যাবেক্ষণ করে যে বিষয়টি সামান্য ত্রুটি বিচ্যুতি পরিলতি হয় সেই বিষয়ে উপস্থিত মালিকপকে সতর্ক করা হয়। মেসার্স আদি গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডারের বিএসটিআই এর সার্টিফিকেট নবায়ন না থাকায় সেই বিষয়ে আগামী সাত কার্য দিবসের মধ্যে নবায়ন করে লিখিতভাবে আদালতকে অবহিত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।

এখানে উল্লেখ যে, প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স সঠিক পাওয়া যায়। অভিযানকালে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এর অপরাধ দন্ড ও পূনঃ অপরাধের দন্ড এর রঙ্গিন লিফলেট বিতরণসহ নিরাপদ খাদ্য আইনে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ প্রতিপালনে সর্তকীকরণ করা হয়। সর্তকীকরণ বিষয়ে নিরাপদ খাদ্য আদালতের পরবর্তী অভিযানে ত্রুটি বিচ্যুতি পরিলতি হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা মর্মে সতর্ক করা হয়।

এ ছাড়াও অভিযানে ছিলেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিফাত উল্লাহ, র‌্যাব-০৯ (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প) এর ডিএডি কাজী মোঃ মিজানুর রহমান ও তার সঙ্গীয় ফোর্স, নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ সাকিব হোসান, এসআই রুহুল আমিন, জেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ফরিদা ইয়াসমিন সহ পুলিশ সদস্যরা।