ঢাকা ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রগতিশীল দেশ গঠনে রাজনীতিবিদদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত : সংসদ সদস্যরা বীরশ্রেষ্ঠদের নামে জাতীয় সংসদের বিভিন্ন গ্যালারির নামকরণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ চলতে দেওয়া হবে না: ছাত্রদল সম্পাদক নাছির সুপ্রিম কোর্টে ভার্চুয়ালি ৭০৭টি মামলার শুনানি, ১৭৭টি নিষ্পত্তি ক্ষমতায় আসার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পদত্যাগ নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এপ্রিল মাসের এমপিও বিল দাখিলের নির্দেশ সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে কাল ৩য় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি ৩ দিন নিখোঁজ থাকার পর জঙ্গলে বিভৎস অবস্থায় নয়ন সাধুর লাশ জোহানেসবার্গে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে নোয়াখালীর প্রবাসীকে গুলি করে হত্যা

বন বিভাগের ৫২ শতাংশ জমি গিলে খাচ্ছেন খন্দকার বিল্লাল হোসেন

#
news image

গত ১১ বছর ধরে গাজীপুর মহানগর ২২ নং ওয়ার্ড গজারিয়াপাড়া,গাজি মার্কেট এলাকায় বন বিভাগের আড়াশোপ্রশাদ মৌজার ৪০৩ সিএস দাগের ৫২ শতাংশ জমি গিলে খাচ্ছেন খন্দকার বিল্লাল হোসেন। 
এলাকাবাসী ও বন বিভাগের বরাত দিয়ে জানা যায়,গত আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকতাদের ম্যানেজ করে খন্দকার বিল্লাল হোসেন ও স্নাট মেহেদী ফ্যাক্টরী মিলে ঐ ৫২ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছে। 
২০১৬ সাল থেকে বন বিভাগের জমির সাথে খন্দকার বিল্লাল হোসেন জমি থাকার সুবাদে তিনি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের তেল মেরে ভোগ দখল করে আসছে। 
বাউপাড়া বিট অফিস থেকে একাধিকবার নোটিশ পাঠালেও জবাব না দিয়ে,উল্টো বন বিভাগের কর্মকতাদের সাথে খারাপ আচরণ করে তাড়িয়ে দেন ঐ খন্দকার বিল্লাল হোসেন। 
বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মিমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন খোদ বাউপাড়া বিট অফিসের কর্মকতারা।
বাউপাড়া বিট অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে- যে আমরা যখন ঐ জমি উদ্ধার করতে যাই,তখন আওয়ামী লীগের নেতাদের দিয়ে ফোন দিত খন্দকার বিল্লাল হোসেন, এভাবে বহু বছর গেলেও এক পর্যায়ে বিল্লাল হোসেন তার অস্ত্র দিয়ে আমাদের মেরে ফেলের জন্য একাধিকবার এসেছে। ঐ কর্মচারী আরও বলেন,আমরা নিরুপায় হয়ে চলে আসি। 
ঐ ঘটনার পর থেকে স্মাট মেহেদী ফ্যাক্টরীর দখলকৃত জমি তারা ছেড়ে দেয়। কিন্তু নাছোর বান্দা খন্দকার বিল্লাল হোসেন সুযোগ বুজে বাকি জমিগুলো নিজের কব্জায় নিয়ে এসে এখন পুরো ৫২ শতাংশ বন বিভাগের জমি নিজে একাই ভোগ দখল করে আসছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,জাতীয় সংসদ নির্বাচন পার হতে খন্দকার বিল্লাল হোসেনের দাপট বেড়ে আরও তিনগুন ছসড়িয়ে যায়। এই ভোগকৃত জমির উপরে তিনি বিল্ডিং নির্মাণ করে মার্কেটের কাজ করছেন।
এ বিষয়ে বাউপাড়া বিট অফিসার বলেন,আমরা খন্দকার বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে বন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী মামলা করেছি,কিন্তু আদালত এ বিষয়ে বিবেচনার জন্য সময় চেয়েছে --
বিস্তারিত আসছে--

গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :

২৩ এপ্রিল, ২০২৬,  1:17 AM

news image

গত ১১ বছর ধরে গাজীপুর মহানগর ২২ নং ওয়ার্ড গজারিয়াপাড়া,গাজি মার্কেট এলাকায় বন বিভাগের আড়াশোপ্রশাদ মৌজার ৪০৩ সিএস দাগের ৫২ শতাংশ জমি গিলে খাচ্ছেন খন্দকার বিল্লাল হোসেন। 
এলাকাবাসী ও বন বিভাগের বরাত দিয়ে জানা যায়,গত আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকতাদের ম্যানেজ করে খন্দকার বিল্লাল হোসেন ও স্নাট মেহেদী ফ্যাক্টরী মিলে ঐ ৫২ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছে। 
২০১৬ সাল থেকে বন বিভাগের জমির সাথে খন্দকার বিল্লাল হোসেন জমি থাকার সুবাদে তিনি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের তেল মেরে ভোগ দখল করে আসছে। 
বাউপাড়া বিট অফিস থেকে একাধিকবার নোটিশ পাঠালেও জবাব না দিয়ে,উল্টো বন বিভাগের কর্মকতাদের সাথে খারাপ আচরণ করে তাড়িয়ে দেন ঐ খন্দকার বিল্লাল হোসেন। 
বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মিমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন খোদ বাউপাড়া বিট অফিসের কর্মকতারা।
বাউপাড়া বিট অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে- যে আমরা যখন ঐ জমি উদ্ধার করতে যাই,তখন আওয়ামী লীগের নেতাদের দিয়ে ফোন দিত খন্দকার বিল্লাল হোসেন, এভাবে বহু বছর গেলেও এক পর্যায়ে বিল্লাল হোসেন তার অস্ত্র দিয়ে আমাদের মেরে ফেলের জন্য একাধিকবার এসেছে। ঐ কর্মচারী আরও বলেন,আমরা নিরুপায় হয়ে চলে আসি। 
ঐ ঘটনার পর থেকে স্মাট মেহেদী ফ্যাক্টরীর দখলকৃত জমি তারা ছেড়ে দেয়। কিন্তু নাছোর বান্দা খন্দকার বিল্লাল হোসেন সুযোগ বুজে বাকি জমিগুলো নিজের কব্জায় নিয়ে এসে এখন পুরো ৫২ শতাংশ বন বিভাগের জমি নিজে একাই ভোগ দখল করে আসছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,জাতীয় সংসদ নির্বাচন পার হতে খন্দকার বিল্লাল হোসেনের দাপট বেড়ে আরও তিনগুন ছসড়িয়ে যায়। এই ভোগকৃত জমির উপরে তিনি বিল্ডিং নির্মাণ করে মার্কেটের কাজ করছেন।
এ বিষয়ে বাউপাড়া বিট অফিসার বলেন,আমরা খন্দকার বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে বন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী মামলা করেছি,কিন্তু আদালত এ বিষয়ে বিবেচনার জন্য সময় চেয়েছে --
বিস্তারিত আসছে--