হারানো ২২টি মোবাইল ও প্রতারণার টাকা উদ্ধার: পিরোজপুর জেলা পুলিশের সাফল্য।
মাইনুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রতিনিধি :
১২ জানুয়ারি, ২০২৬, 6:57 PM
হারানো ২২টি মোবাইল ও প্রতারণার টাকা উদ্ধার: পিরোজপুর জেলা পুলিশের সাফল্য।
পিরোজপুর জেলা পুলিশের সাইবার পেট্রোলিং ইউনিটের তৎপরতায় উদ্ধার হওয়া ২২টি স্মার্টফোন এবং বিকাশ প্রতারণার ১৮ হাজার টাকা প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় পিরোজপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের হাতে এসব মালামাল হস্তান্তর করা হয়।
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি এন্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) পর্যালোচনা করে তথ্য-প্রযুক্তির আধুনিক কলাকৌশল ব্যবহার করে এই সাফল্য অর্জন করে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উদ্ধার করা হয় বিভিন্ন নামী ব্যান্ডের এই ২২টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন। এছাড়া ডিজিটাল প্রতারণার শিকার এক ব্যক্তির খোয়ানো ১৮ হাজার টাকাও উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এই মহতী উদ্যোগের নেপথ্যে ছিলেন পিরোজপুর জেলার বর্তমান পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। তার সুদক্ষ দিকনির্দেশনা ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে জেলা পুলিশ এখন অনেক বেশি জনবান্ধব এবং প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে উঠেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা হারানো প্রিয় মোবাইল ও টাকা ফেরত পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং পুলিশ সুপারের এই জনকল্যাণমুখী কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন্স) জনাব মো: জিয়াউর রহমান এই উদ্ধার কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি করেন। পুলিশের এই বিশেষ শাখাটি নিয়মিতভাবে সাইবার অপরাধ দমন এবং জনগণের সম্পদ উদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু জাফর সহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীগণ। সাংবাদিকরা জেলা পুলিশের এই সাফল্যের সংবাদ জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং এসপি মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীর ইতিবাচক পুলিশিংয়ের প্রশংসা করেন।
পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান,
"জনগণের সেবায় জেলা পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর। আমরা কেবল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা নয়, বরং জনগণের প্রতিটি ছোট-বড় সমস্যার সমাধানে পাশে থাকতে চাই। আমাদের আইসিটি শাখার এই বিশেষ অভিযান এবং উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
জেলা পুলিশের এমন কর্মতৎপরতা পিরোজপুরবাসীর মনে আস্থার এক নতুন জায়গা তৈরি করেছে।
মাইনুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রতিনিধি :
১২ জানুয়ারি, ২০২৬, 6:57 PM
পিরোজপুর জেলা পুলিশের সাইবার পেট্রোলিং ইউনিটের তৎপরতায় উদ্ধার হওয়া ২২টি স্মার্টফোন এবং বিকাশ প্রতারণার ১৮ হাজার টাকা প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় পিরোজপুর জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের হাতে এসব মালামাল হস্তান্তর করা হয়।
পিরোজপুর জেলা পুলিশের আইসিটি এন্ড মিডিয়া (সাইবার পেট্রোলিং) শাখা জেলার বিভিন্ন থানায় দায়েরকৃত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) পর্যালোচনা করে তথ্য-প্রযুক্তির আধুনিক কলাকৌশল ব্যবহার করে এই সাফল্য অর্জন করে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উদ্ধার করা হয় বিভিন্ন নামী ব্যান্ডের এই ২২টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন। এছাড়া ডিজিটাল প্রতারণার শিকার এক ব্যক্তির খোয়ানো ১৮ হাজার টাকাও উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এই মহতী উদ্যোগের নেপথ্যে ছিলেন পিরোজপুর জেলার বর্তমান পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী। তার সুদক্ষ দিকনির্দেশনা ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে জেলা পুলিশ এখন অনেক বেশি জনবান্ধব এবং প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে উঠেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভুক্তভোগীরা হারানো প্রিয় মোবাইল ও টাকা ফেরত পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং পুলিশ সুপারের এই জনকল্যাণমুখী কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন্স) জনাব মো: জিয়াউর রহমান এই উদ্ধার কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি করেন। পুলিশের এই বিশেষ শাখাটি নিয়মিতভাবে সাইবার অপরাধ দমন এবং জনগণের সম্পদ উদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু জাফর সহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীগণ। সাংবাদিকরা জেলা পুলিশের এই সাফল্যের সংবাদ জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং এসপি মনজুর আহমেদ সিদ্দিকীর ইতিবাচক পুলিশিংয়ের প্রশংসা করেন।
পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী জানান,
"জনগণের সেবায় জেলা পুলিশ সর্বদা বদ্ধপরিকর। আমরা কেবল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা নয়, বরং জনগণের প্রতিটি ছোট-বড় সমস্যার সমাধানে পাশে থাকতে চাই। আমাদের আইসিটি শাখার এই বিশেষ অভিযান এবং উদ্ধার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
জেলা পুলিশের এমন কর্মতৎপরতা পিরোজপুরবাসীর মনে আস্থার এক নতুন জায়গা তৈরি করেছে।