ঢাকা ১৭ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা: ৪০ বছর পর আবারও সেই চেনা রূপ সরিষাবাড়ীতে ৩০২ প্রান্তিক শিশুর মাঝে স্কুল ব্যাগ, ছাতা, গাছের চারা ও মুরগি বিতরণ চরভদ্রাসনে জেলের হাতে ধরা পড়ল মেছো বাঘের বাচ্চা গাজীপুরে ডিবির আদলে সদর পুলিশের হানা ২ বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ২ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান গণমাধ্যমসমূহকে নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান তথ্য অধিদফতরের বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি : ৪ শিক্ষককে শোকজ আইন পেশার অনেকেই শর্টকাটে অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়: অ্যাটর্নি জেনারেল টাইফুন বাভিকে ঘিরে উ. কোরিয়ার সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ

মুন্সীগঞ্জে অটো চালককে হত্যা করে অটো ছিনতাই, গ্রেফতার ৫

#
news image

মুন্সীগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর খাল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অটোচালক মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান (৪৫) হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ধারণা করা হচ্ছে গত ৩১ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৩ নভেম্বর সকাল ৭টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন আসামি পূর্বপরিকল্পিতভাবে মুজিবুরকে হত্যা করে তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন লুণ্ঠন করে। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে বিছানা ও কম্বল দিয়ে পেঁচিয়ে ডোবার পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।
মামলা দায়েরের পর মুন্সীগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইন্সপেক্টর (তদন্ত)  সজিব দে, এসআই সোহাগ ও এসআই সাদ্দাম মোল্লার সমন্বয়ে একটি চৌকস তদন্ত টিম গঠন করা হয়।
 
তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় টিমটি জানতে পারে, ৩১ অক্টোবর বিকেল ৬টার দিকে মুজিবুরকে ‘ইমরান’ নামের এক ব্যক্তি মুন্সীগঞ্জ থানার পঞ্চসার ইউনিয়নের বানিক্যপাড়া এলাকার তেলেরবিল এলাকায় তার ভাড়াটিয়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ইমরান, জয় ও সোহাগ মিলে মাদক সেবনের পর মুজিবুরকে অচেতন করে ফেলে। পরে হাত-পা বেঁধে সোহাগ রশি দিয়ে গলায় প্যাঁচ দেয়, ইমরান তার পা ধরে রাখে এবং জয় বুকের ওপর বসে কাঁচি দিয়ে বুকের ওপর আঘাত করে মুজিবুরকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
হত্যার পর আসামিরা সোহাগের বাড়ি থেকে আনা চাদর ও কম্বল দিয়ে লাশ মুড়িয়ে সোহাগের অটোরিকশায় করে পাশের ডোবায় ফেলে দেয়। পরদিন তারা অটোরিকশাটি হারুন নামের এক ব্যক্তির কাছে ৯৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে এবং পরে হারুন রামসিং আলীর গ্যারেজে নিয়ে তা ১ লাখ ১ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়।
পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত।

আবুল কাশেম, মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি :

০৫ নভেম্বর, ২০২৫,  3:07 PM

news image

মুন্সীগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর খাল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অটোচালক মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান (৪৫) হত্যাকাণ্ডে জড়িত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ধারণা করা হচ্ছে গত ৩১ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৩ নভেম্বর সকাল ৭টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন আসামি পূর্বপরিকল্পিতভাবে মুজিবুরকে হত্যা করে তার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোবাইল ফোন লুণ্ঠন করে। পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে বিছানা ও কম্বল দিয়ে পেঁচিয়ে ডোবার পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।
মামলা দায়েরের পর মুন্সীগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ইন্সপেক্টর (তদন্ত)  সজিব দে, এসআই সোহাগ ও এসআই সাদ্দাম মোল্লার সমন্বয়ে একটি চৌকস তদন্ত টিম গঠন করা হয়।
 
তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় টিমটি জানতে পারে, ৩১ অক্টোবর বিকেল ৬টার দিকে মুজিবুরকে ‘ইমরান’ নামের এক ব্যক্তি মুন্সীগঞ্জ থানার পঞ্চসার ইউনিয়নের বানিক্যপাড়া এলাকার তেলেরবিল এলাকায় তার ভাড়াটিয়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ইমরান, জয় ও সোহাগ মিলে মাদক সেবনের পর মুজিবুরকে অচেতন করে ফেলে। পরে হাত-পা বেঁধে সোহাগ রশি দিয়ে গলায় প্যাঁচ দেয়, ইমরান তার পা ধরে রাখে এবং জয় বুকের ওপর বসে কাঁচি দিয়ে বুকের ওপর আঘাত করে মুজিবুরকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
হত্যার পর আসামিরা সোহাগের বাড়ি থেকে আনা চাদর ও কম্বল দিয়ে লাশ মুড়িয়ে সোহাগের অটোরিকশায় করে পাশের ডোবায় ফেলে দেয়। পরদিন তারা অটোরিকশাটি হারুন নামের এক ব্যক্তির কাছে ৯৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে এবং পরে হারুন রামসিং আলীর গ্যারেজে নিয়ে তা ১ লাখ ১ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়।
পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত।