ঢাকা ১৮ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে আর্জেন্টিনা: ৪০ বছর পর আবারও সেই চেনা রূপ সরিষাবাড়ীতে ৩০২ প্রান্তিক শিশুর মাঝে স্কুল ব্যাগ, ছাতা, গাছের চারা ও মুরগি বিতরণ চরভদ্রাসনে জেলের হাতে ধরা পড়ল মেছো বাঘের বাচ্চা গাজীপুরে ডিবির আদলে সদর পুলিশের হানা ২ বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ ২ অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান গণমাধ্যমসমূহকে নীতিমালা যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান তথ্য অধিদফতরের বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি : ৪ শিক্ষককে শোকজ আইন পেশার অনেকেই শর্টকাটে অর্থবিত্তের মালিক হতে চায়: অ্যাটর্নি জেনারেল টাইফুন বাভিকে ঘিরে উ. কোরিয়ার সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ

বারহাট্টায় কোরআন অবমাননার অভিযোগে এক নারী গ্রেফতার, পলাতক ৩

#
news image

নেত্রকোনার বারহাট্টায় কোরআন অবমাননার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় নাজমা আক্তার (৪২) নামের এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আরও ৩ জন পলাতক রয়েছে। পালাতকরা হলেন- চন্দ্রপুর বাজার এলাকার  গ্রেফতার হওয়া নাজমার মা বেগম (৬২) ও উপজেলার জয়কৃষ্ণ নগর গ্রামের হাবিবুর  রহমান (৫২)।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত শনিবার সকালে উপজেলার সিংধা ইউনিয়নের  চন্দ্রপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে  চন্দ্রপুর বাজার জামে মসজিদ থেকে একটি  কোরআন শরীফ চেয়ে আনেন হাবিবুর রহমান।  পরে চন্দ্রপুর বাজার এলাকায় বসবাসকারী বেগম ও নাজমার ঘরে নিয়ে যান। সেখানে থাকা পাগল বেশের এক লোক ওই কোরআন শরীফের ওপর নাচানাচি করে ও জুতা দিয়ে পেটায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মাধ্যমে ঘটনাটি এলাকায় জানজানি হয়ে পড়লে ধর্মপ্রাণ মানুষজন ও আলেম-ওলামারা রোববার বিকেলে বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেন। তারা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান।

রোববার রাতেই তরিকুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। এতে হাবিবুর,  নাজমা ও তার মা বেগমকে এজহার নামীয় আসামি করা হয়। আর একজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।  

পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে নাজমাকে গ্রেপ্তার করে। তবে পরিস্থিতি টের পেয়ে হাবিবুর, বেগম ও পাগলবেশী ঐ ব্যক্তি পালিয়ে যায়। 

সিংধা ইউনিয়ন হেফাজতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন বাক্কী জানান, হাবিব নামের ওই ব্যক্তি স্থানীয় মসজিদ থেকে একটি কোরআন শরীফ চেয়ে নিয়ে যায়। পরে নাজমা ও বেগমের ঘরে থাকা পাগল ধরণের এক ব্যক্তিকে দেয়। পরে ওই পাগল টাইপ লোকটা কোরআন শরীফ পায়ের নিয়ে ফেলে এর ওপর নাচানাচি করে ও জুতা দিয়ে পেটায়। হাবিব, নাজমা ও বেগমের সামনেই ওই ব্যক্তি কোরআন অবমাননা করে, তারা কোন প্রতিবাদ করেনি। এতে এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী ও আলেম ওলামারা মিলে এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে।  পাশাপাশি ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানায়।

তিনি আরও জানান, ওই ব্যক্তিকে পাগল বলে দাবি করা হলেও ঘটনার পর ওই ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন। সত্যিকার পাগল হলে তো তিনি পালিয়ে যাওয়ার কথা না।

বারহাট্টা থানার ওসি কামরুল হাসান জানান, মামলার পরপরই রাতেই অভিযান চালিয়ে আসামি নাজমা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

১৪ জুলাই, ২০২৫,  11:55 PM

news image

নেত্রকোনার বারহাট্টায় কোরআন অবমাননার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় নাজমা আক্তার (৪২) নামের এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

এ ঘটনায় অভিযুক্ত আরও ৩ জন পলাতক রয়েছে। পালাতকরা হলেন- চন্দ্রপুর বাজার এলাকার  গ্রেফতার হওয়া নাজমার মা বেগম (৬২) ও উপজেলার জয়কৃষ্ণ নগর গ্রামের হাবিবুর  রহমান (৫২)।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত শনিবার সকালে উপজেলার সিংধা ইউনিয়নের  চন্দ্রপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে  চন্দ্রপুর বাজার জামে মসজিদ থেকে একটি  কোরআন শরীফ চেয়ে আনেন হাবিবুর রহমান।  পরে চন্দ্রপুর বাজার এলাকায় বসবাসকারী বেগম ও নাজমার ঘরে নিয়ে যান। সেখানে থাকা পাগল বেশের এক লোক ওই কোরআন শরীফের ওপর নাচানাচি করে ও জুতা দিয়ে পেটায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মাধ্যমে ঘটনাটি এলাকায় জানজানি হয়ে পড়লে ধর্মপ্রাণ মানুষজন ও আলেম-ওলামারা রোববার বিকেলে বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেন। তারা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান।

রোববার রাতেই তরিকুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। এতে হাবিবুর,  নাজমা ও তার মা বেগমকে এজহার নামীয় আসামি করা হয়। আর একজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।  

পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে নাজমাকে গ্রেপ্তার করে। তবে পরিস্থিতি টের পেয়ে হাবিবুর, বেগম ও পাগলবেশী ঐ ব্যক্তি পালিয়ে যায়। 

সিংধা ইউনিয়ন হেফাজতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন বাক্কী জানান, হাবিব নামের ওই ব্যক্তি স্থানীয় মসজিদ থেকে একটি কোরআন শরীফ চেয়ে নিয়ে যায়। পরে নাজমা ও বেগমের ঘরে থাকা পাগল ধরণের এক ব্যক্তিকে দেয়। পরে ওই পাগল টাইপ লোকটা কোরআন শরীফ পায়ের নিয়ে ফেলে এর ওপর নাচানাচি করে ও জুতা দিয়ে পেটায়। হাবিব, নাজমা ও বেগমের সামনেই ওই ব্যক্তি কোরআন অবমাননা করে, তারা কোন প্রতিবাদ করেনি। এতে এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী ও আলেম ওলামারা মিলে এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করে।  পাশাপাশি ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানায়।

তিনি আরও জানান, ওই ব্যক্তিকে পাগল বলে দাবি করা হলেও ঘটনার পর ওই ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন। সত্যিকার পাগল হলে তো তিনি পালিয়ে যাওয়ার কথা না।

বারহাট্টা থানার ওসি কামরুল হাসান জানান, মামলার পরপরই রাতেই অভিযান চালিয়ে আসামি নাজমা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।