ঢাকা ৩১ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
জিয়াউর রহমানের আদর্শে দীক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে সকলকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর লংগদুতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের মহাসমারোহ ফটিকছড়িতে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই খুন জিয়াউর রহমানের আদর্শে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান – ড. ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী শাহাদাত বার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী

উখিয়া চাঞ্চল্যকর খুন ও ডাকাতি কাণ্ডে জড়িত কুখ্যাত ডাকাত শরিফ গ্রেফতার

#
news image

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের নিদানিয়ায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর খুন ও সশস্ত্র ডাকাতি মামলার মূলহোতা কুখ্যাত ডাকাত আহমদ শরিফ ও তার সহযোগী রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৫। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ।

গত ২৩ জুন রাতে মৃত নুরুল আমিন ও হাছান আলীর বাড়িতে সংঘবদ্ধ একদল মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল হামলা চালায়। রাত আনুমানিক ৮টায় আহমদ শরিফের নেতৃত্বে ৭/৮ জন ডাকাত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, দা, ছুরি ও শাবল নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। ঘরে থাকা ৯৫ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ও একটি স্মার্টফোন লুট করে ডাকাতরা।

চিৎকার শুনে নুরুল আমিন ও তার ভাই হাছান আলী ডাকাতদের বাধা দিলে শরিফ তার চিহ্নিত শত্রু নুরুল আমিনকে বগলের নিচে গুলি করে। আহত অবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্ত্রী ও অন্যান্য স্বজনেরা ডাকাতদের চিনে ফেলায় ডাকাত শরিফের বিরুদ্ধেই দায়ের হয় খুনসহ ডাকাতির মামলা (ধারা ৩৯৬)।

ঘটনার পরপরই র‍্যাব-১৫ এর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও নজরদারির পর র‍্যাব-১৫ গতকাল রাতে উখিয়া থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে জালিয়াপালংয়ের পূর্ব নুরার ডেইলে প্রধান আসামি আহমদ শরিফ ও রত্নাপালংয়ের রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করে।

এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়'৪টি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র'১ রাউন্ড তাজা গুলি '১টি খালি কার্তুজ

গ্রেফতারকৃতরা হলেন আহমদ শরিফ ওরফে শরিফ্যা ডাকাত (প্রধান আসামি) পিতা- ওমর মিয়া, মাতা- রাশেদা খাতুন, সাং- পূর্ব নুরার ডেইল, জালিয়াপালং, উখিয়া। রেজাউল করিম ওরফে বাবুল

পিতা- ছৈয়দ আলম, মাতা- মমতাজা বেগম, সাং- পশ্চিম রত্না, রত্নাপালং, উখিয়া।

র‍্যাব-১৫ জানায়, এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি ডাকাতদের গ্রেফতার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

র‍্যাবের প্রতিশ্রুতি, “চল যাই যুদ্ধে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে”এ লক্ষ্যেই চলবে অভিযান।

অস্ত্রধারী, মাদককারবারী, অপহরণকারী কিংবা ডাকাত,যেই হোক না কেন, আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। এ বিষয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :

০৩ জুলাই, ২০২৫,  11:03 PM

news image

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের নিদানিয়ায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর খুন ও সশস্ত্র ডাকাতি মামলার মূলহোতা কুখ্যাত ডাকাত আহমদ শরিফ ও তার সহযোগী রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৫। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ।

গত ২৩ জুন রাতে মৃত নুরুল আমিন ও হাছান আলীর বাড়িতে সংঘবদ্ধ একদল মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল হামলা চালায়। রাত আনুমানিক ৮টায় আহমদ শরিফের নেতৃত্বে ৭/৮ জন ডাকাত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, দা, ছুরি ও শাবল নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। ঘরে থাকা ৯৫ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার ও একটি স্মার্টফোন লুট করে ডাকাতরা।

চিৎকার শুনে নুরুল আমিন ও তার ভাই হাছান আলী ডাকাতদের বাধা দিলে শরিফ তার চিহ্নিত শত্রু নুরুল আমিনকে বগলের নিচে গুলি করে। আহত অবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্ত্রী ও অন্যান্য স্বজনেরা ডাকাতদের চিনে ফেলায় ডাকাত শরিফের বিরুদ্ধেই দায়ের হয় খুনসহ ডাকাতির মামলা (ধারা ৩৯৬)।

ঘটনার পরপরই র‍্যাব-১৫ এর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। দীর্ঘ অনুসন্ধান ও নজরদারির পর র‍্যাব-১৫ গতকাল রাতে উখিয়া থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে জালিয়াপালংয়ের পূর্ব নুরার ডেইলে প্রধান আসামি আহমদ শরিফ ও রত্নাপালংয়ের রেজাউল করিমকে গ্রেফতার করে।

এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়'৪টি দেশীয় তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র'১ রাউন্ড তাজা গুলি '১টি খালি কার্তুজ

গ্রেফতারকৃতরা হলেন আহমদ শরিফ ওরফে শরিফ্যা ডাকাত (প্রধান আসামি) পিতা- ওমর মিয়া, মাতা- রাশেদা খাতুন, সাং- পূর্ব নুরার ডেইল, জালিয়াপালং, উখিয়া। রেজাউল করিম ওরফে বাবুল

পিতা- ছৈয়দ আলম, মাতা- মমতাজা বেগম, সাং- পশ্চিম রত্না, রত্নাপালং, উখিয়া।

র‍্যাব-১৫ জানায়, এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকি ডাকাতদের গ্রেফতার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

র‍্যাবের প্রতিশ্রুতি, “চল যাই যুদ্ধে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে”এ লক্ষ্যেই চলবে অভিযান।

অস্ত্রধারী, মাদককারবারী, অপহরণকারী কিংবা ডাকাত,যেই হোক না কেন, আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। এ বিষয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।