ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ইতোমধ্যে দেশে ফিরেছেন ৮,৬০৬ জন

#
news image

গত ৫ জুন অনুষ্ঠিত হজ শেষে এখন পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৬০৬ জন বাংলাদেশি সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন।

হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশে ফেরা ৮৩৭ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭ হাজার ৭৬৯ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনার আওতায় ছিলেন।

এ পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ১ হাজার ৪০, সৌদি পতাকাবাহী সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ৩ হাজার ১৮৫ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ৪ হাজার ১২ জন দেশে ফিরেছেন।

এ পর্যন্ত মোট ২২টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের, ৮টি সাউদিয়ার, এবং ১০টি ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের।

এদিকে, সৌদি আরব বাংলাদেশি হাজিদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটির মেডিকেল সেন্টারগুলো এখন পর্যন্ত ৪৯ হাজার ৮০৯টি অটোমেটেড প্রেসক্রিপশন ইস্যু করেছে এবং আইটি হেল্পডেস্কগুলো ২০ হাজার ৩০৯টি সেবা প্রদান করেছে।

দুঃখজনকভাবে, এ পর্যন্ত ২৩ জন বাংলাদেশি সৌদি আরবে মারা গেছেন । তাদের মধ্যে ২১ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী। এদের মধ্যে ১৫ জন মক্কায়, ৭ জন মদিনায় এবং ১ জন আরাফাতে মারা গেছেন। জেদ্দা, মিনায় বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যু ঘটেনি।

সৌদি আরবের সরকারি হাসপাতালগুলো এ পর্যন্ত ১৯৩ জন বাংলাদেশিকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে। এদের মধ্যে এখনো ২৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গত ২৯ এপ্রিল প্রথম ফ্লাইটের মাধ্যমে এ বছরের হজ কার্যক্রম শুরু হয় এবং ৩১ মে শেষ হয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালের হজের জন্য ৭০টি হজ এজেন্সিকে অনুমোদন দিয়েছে। এ বছর বাংলাদেশ থেকে ৫ হাজার ২০০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৮১ হাজার ৯০০ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের সুযোগ পেয়েছেন।

সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার কার্যক্রম ১০ জুন শুরু হয়েছে এবং তা ১০ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ ব্যবস্থাপনা অফিস জানায়, কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে চলমান এ কার্যক্রম ও স্বাস্থ্যসেবার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

১২ জুন, ২০২৫,  5:40 PM

news image

গত ৫ জুন অনুষ্ঠিত হজ শেষে এখন পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৬০৬ জন বাংলাদেশি সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন।

হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত দেশে ফেরা ৮৩৭ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭ হাজার ৭৬৯ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনার আওতায় ছিলেন।

এ পর্যন্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ১ হাজার ৪০, সৌদি পতাকাবাহী সাউদিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ৩ হাজার ১৮৫ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ৪ হাজার ১২ জন দেশে ফিরেছেন।

এ পর্যন্ত মোট ২২টি ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের, ৮টি সাউদিয়ার, এবং ১০টি ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের।

এদিকে, সৌদি আরব বাংলাদেশি হাজিদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটির মেডিকেল সেন্টারগুলো এখন পর্যন্ত ৪৯ হাজার ৮০৯টি অটোমেটেড প্রেসক্রিপশন ইস্যু করেছে এবং আইটি হেল্পডেস্কগুলো ২০ হাজার ৩০৯টি সেবা প্রদান করেছে।

দুঃখজনকভাবে, এ পর্যন্ত ২৩ জন বাংলাদেশি সৌদি আরবে মারা গেছেন । তাদের মধ্যে ২১ জন পুরুষ এবং ২ জন নারী। এদের মধ্যে ১৫ জন মক্কায়, ৭ জন মদিনায় এবং ১ জন আরাফাতে মারা গেছেন। জেদ্দা, মিনায় বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যু ঘটেনি।

সৌদি আরবের সরকারি হাসপাতালগুলো এ পর্যন্ত ১৯৩ জন বাংলাদেশিকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে। এদের মধ্যে এখনো ২৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গত ২৯ এপ্রিল প্রথম ফ্লাইটের মাধ্যমে এ বছরের হজ কার্যক্রম শুরু হয় এবং ৩১ মে শেষ হয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালের হজের জন্য ৭০টি হজ এজেন্সিকে অনুমোদন দিয়েছে। এ বছর বাংলাদেশ থেকে ৫ হাজার ২০০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৮১ হাজার ৯০০ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের সুযোগ পেয়েছেন।

সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার কার্যক্রম ১০ জুন শুরু হয়েছে এবং তা ১০ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ ব্যবস্থাপনা অফিস জানায়, কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশিদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে চলমান এ কার্যক্রম ও স্বাস্থ্যসেবার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে।