ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ফটিকছড়িতে জমে উঠেছে কোরবানির গরুর বাজার

#
news image

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে জমে উঠেছে কোরবানির গরুর বাজার।

কোরবানির পশু প্রস্তুত, ক্রয়-বিক্রয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারী ও কোরবানি দাতারা। 

উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের তথ্য মতে,  এবছর ৩ শত  ৭৭টি খামারে ৩৮ হাজার ২ শত ১১ টি গরু, ৪ হাজার ১ শত ১২ টি মহিষ, ২৮ হাজার ৭ শত ৪০টি ছাগল, ২ হাজর ৩ শত ৫৬ টি ভেড়াসহ মোট ৬৯ হাজার ৪ শত ১৯টি পশু মোটাতাজাকরণ করা হয়েছে।

এ বছর কোরবানির জন্য উপজেলায় পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ৪৮ হাজার। ফলে চাহিদার চেয়ে কিছুটা বেশি পশু উৎপাদন হয়েছে। তবে বাস্তবে এই সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে জানা গেছে।

খামারিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার অনেক খামার এখনো প্রাণিসম্পদ দপ্তরে নিবন্ধিত নয়। এছাড়াও বহু গৃহস্থ নিজ উদ্যোগে গরু-ছাগল মোটাতাজা করেছেন। 

সব মিলিয়ে উপজেলায় প্রায় লক্ষাধিক কোরবানির পশু প্রস্তুত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফটিকছড়ির প্রধান কোরবানির গরুরহাটে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে গরু এসে থাকে। এছাড়া উপজেলার স্থায়ী-অস্থায়ী-গরুর হাটেও আশে পাশের উপজেলা থেকে কোরবানির পশু আসে। তবে বাইরের পশুর চেয়ে স্থানীয় পশুর ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতারা স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে পালিত স্থানীয় পশুর দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: আব্দুল মুমিন বলেন, খামারীদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এবার মোট ৬৯ হাজার ৪ শত ১৯টি পশু , তবে চাহিদায় তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত করেছে খামারীরা। স্থায়ী-অস্থায়ী কোরবানির পশুরহাটে আমাদের ৬টি মেডিকেল টিম নিয়মিত কাজ করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর বলেন, এ বছর উপজেলায় কোরবানির পশুর হাটে প্রশাসনের পক্ষে থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিতে তৎপর রয়েছে। মেডিকেল টিম ও জাল টাকা প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

০৪ জুন, ২০২৫,  9:13 AM

news image

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে জমে উঠেছে কোরবানির গরুর বাজার।

কোরবানির পশু প্রস্তুত, ক্রয়-বিক্রয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারী ও কোরবানি দাতারা। 

উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তরের তথ্য মতে,  এবছর ৩ শত  ৭৭টি খামারে ৩৮ হাজার ২ শত ১১ টি গরু, ৪ হাজার ১ শত ১২ টি মহিষ, ২৮ হাজার ৭ শত ৪০টি ছাগল, ২ হাজর ৩ শত ৫৬ টি ভেড়াসহ মোট ৬৯ হাজার ৪ শত ১৯টি পশু মোটাতাজাকরণ করা হয়েছে।

এ বছর কোরবানির জন্য উপজেলায় পশুর চাহিদা রয়েছে প্রায় ৪৮ হাজার। ফলে চাহিদার চেয়ে কিছুটা বেশি পশু উৎপাদন হয়েছে। তবে বাস্তবে এই সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে জানা গেছে।

খামারিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার অনেক খামার এখনো প্রাণিসম্পদ দপ্তরে নিবন্ধিত নয়। এছাড়াও বহু গৃহস্থ নিজ উদ্যোগে গরু-ছাগল মোটাতাজা করেছেন। 

সব মিলিয়ে উপজেলায় প্রায় লক্ষাধিক কোরবানির পশু প্রস্তুত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফটিকছড়ির প্রধান কোরবানির গরুরহাটে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে গরু এসে থাকে। এছাড়া উপজেলার স্থায়ী-অস্থায়ী-গরুর হাটেও আশে পাশের উপজেলা থেকে কোরবানির পশু আসে। তবে বাইরের পশুর চেয়ে স্থানীয় পশুর ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতারা স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে পালিত স্থানীয় পশুর দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: আব্দুল মুমিন বলেন, খামারীদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এবার মোট ৬৯ হাজার ৪ শত ১৯টি পশু , তবে চাহিদায় তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত করেছে খামারীরা। স্থায়ী-অস্থায়ী কোরবানির পশুরহাটে আমাদের ৬টি মেডিকেল টিম নিয়মিত কাজ করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর বলেন, এ বছর উপজেলায় কোরবানির পশুর হাটে প্রশাসনের পক্ষে থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিতে তৎপর রয়েছে। মেডিকেল টিম ও জাল টাকা প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।