ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী বস্তুনিষ্ঠ ও ডেটাভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতেই পরিচালিত হয় প্রকৃত সাংবাদিকতা : তথ্যমন্ত্রী গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক

নওগাঁয় ৪ হাজার কোটি টাকার ও বেশি আম বাণিজ্যের হাতছানি

#
news image

বরেন্দ্র ভূমি নওগাঁয় খরা আর পানির সংকটে এক সময় ফসল ফলানো দুষ্কর হয়ে পড়েছিল । এক সময় এ অঞ্চলে কিছু পরিসরে ধান উৎপাদন হলেও এখন জায়গা দখল করে নিয়েছে আম চাষে । বরেন্দ্রভূমি নওগাঁয় এখন প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে আমের উৎপাদন। এ অঞ্চলে আমের ভালো ফলন ও বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকরা ঝুকছেন আম চাষে। এবছরও আম উৎপদনে শীর্ষ থাকবে নওগাঁ জেলা দাবি আম চাষি ও কৃষি বিভাগের। যা থেকে এ বছর প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার ও বেশি বাণিজ্যের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। করা হয়েছে আম সংগ্রহের তারিখ নির্ধারণ। নির্ধারিত তারিখের পূর্বে আম পরিপক্ব হলে সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে নিতে হবে সনদ।

গত বছরের চেয়ে ৩০০ হেক্টর বেড়ে এ বছর এ জেলায় আম চাষ হয়েছে ৩০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে। আর উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৩৫ মেট্রিক টন। যা থেকে এ বছর প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি বাণিজ্যের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অঞ্চলের আমের মধ্যে বিশেষ করে আম্রপালি বারিফোর ল্যাংড়া গোপালভোগ ক্ষীরসাপাদ নাক ফজলি স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় এর চাহিদা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত পেরিয়ে বিদেশেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ জেলায় সবচেয়ে বেশি আম্রপালির চাষ হয়। উৎপাদিত আমের প্রায় ৭০ শতাংশই আম্রপালি। এ ছাড়া নওগাঁয় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত আমের মধ্যে বারি-৪, ল্যাংড়া, গৌড়মতি, আশ্বিনা, হিমসাগর, গোপালভোগ ও কাটিমন আম চাষ হয়। নওগাঁর আমের মান বজায় রাখতে আগে থেকেই সংগ্রহের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। গত ২২মে থেকে গুটি ও  ৩০ মে থেকে গোপালভোগ জাতের আম পাড়ার মধ্যে দিয়ে শুরু হযেছে আম পাড়া। এছাড়াও ক্ষীরশাপাত ও হিমসাগর ২ জুন, নাগ ফজলি ৫ জুন, ল্যাংড়া ও হাঁড়িভাঙ্গা ১০ জুন, ব্যানানা ম্যাংগো ও ফজলি আম ২৫ জুন ও আম রুপালী ১৮ জুন থেকে এবং সর্বশেষ ১০ জুলাই থেকে পাড়া যাবে আশ্বিনা, বারী-৪ ও গৌরমতি জাতের আম।

এ বিষয়ে গত ১২ মে এক বিভিন্ন জাতের আম সংগ্রহের সময়সীমা নির্ধারণ বৈঠকে নওগাঁ জেলা প্রশাসক আবদুল আউয়াল বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগে কোনোভাবেই অপরিপক্ব আম সংগ্রহ কিংবা বাজারে তোলা যাবে না। তবে সময়ের আগে আবহাওয়ার কারণে আম পরিপক্ব হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী আমচাষিরা তারিখ পুনর্নির্ধারণ করে সময়ের আগে আম সংগ্রহ করতে পারবেন। আমে ভেজাল ঠেকাতে পরিবহনের আগে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় আমের বাজার সাপাহার উপজেলা সদর বাজার, পোরশার নোচনাহার, সারাইগাছিসহ বিভিন্ন বাজারে বিশেষ নজরদারি রাখবে প্রশাসন।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক, আবুল কালাম আজাদ বলছেন, নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে পানির সংকট ও ভালো দাম পাওয়ায় এ জেলায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে আম চাষ। নওগাঁর চেয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জেপ্রায় ৭ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আম চাষ হলেও নওগাঁর আম বাগানগুলো নতুন ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির হওয়ায় ফলন হয় বেশি। তাই আবাদের আয়তনে এ জেলা দ্বিতীয় বৃহত্তম হলেও উৎপাদনে প্রথম রয়েছে নওগাঁ দাবী তাঁর।

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি :

০২ জুন, ২০২৫,  9:13 PM

news image

বরেন্দ্র ভূমি নওগাঁয় খরা আর পানির সংকটে এক সময় ফসল ফলানো দুষ্কর হয়ে পড়েছিল । এক সময় এ অঞ্চলে কিছু পরিসরে ধান উৎপাদন হলেও এখন জায়গা দখল করে নিয়েছে আম চাষে । বরেন্দ্রভূমি নওগাঁয় এখন প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে আমের উৎপাদন। এ অঞ্চলে আমের ভালো ফলন ও বাজারে চাহিদা থাকায় কৃষকরা ঝুকছেন আম চাষে। এবছরও আম উৎপদনে শীর্ষ থাকবে নওগাঁ জেলা দাবি আম চাষি ও কৃষি বিভাগের। যা থেকে এ বছর প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার ও বেশি বাণিজ্যের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। করা হয়েছে আম সংগ্রহের তারিখ নির্ধারণ। নির্ধারিত তারিখের পূর্বে আম পরিপক্ব হলে সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে নিতে হবে সনদ।

গত বছরের চেয়ে ৩০০ হেক্টর বেড়ে এ বছর এ জেলায় আম চাষ হয়েছে ৩০ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে। আর উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৩৫ মেট্রিক টন। যা থেকে এ বছর প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি বাণিজ্যের আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অঞ্চলের আমের মধ্যে বিশেষ করে আম্রপালি বারিফোর ল্যাংড়া গোপালভোগ ক্ষীরসাপাদ নাক ফজলি স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় এর চাহিদা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত পেরিয়ে বিদেশেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ জেলায় সবচেয়ে বেশি আম্রপালির চাষ হয়। উৎপাদিত আমের প্রায় ৭০ শতাংশই আম্রপালি। এ ছাড়া নওগাঁয় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত আমের মধ্যে বারি-৪, ল্যাংড়া, গৌড়মতি, আশ্বিনা, হিমসাগর, গোপালভোগ ও কাটিমন আম চাষ হয়। নওগাঁর আমের মান বজায় রাখতে আগে থেকেই সংগ্রহের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। গত ২২মে থেকে গুটি ও  ৩০ মে থেকে গোপালভোগ জাতের আম পাড়ার মধ্যে দিয়ে শুরু হযেছে আম পাড়া। এছাড়াও ক্ষীরশাপাত ও হিমসাগর ২ জুন, নাগ ফজলি ৫ জুন, ল্যাংড়া ও হাঁড়িভাঙ্গা ১০ জুন, ব্যানানা ম্যাংগো ও ফজলি আম ২৫ জুন ও আম রুপালী ১৮ জুন থেকে এবং সর্বশেষ ১০ জুলাই থেকে পাড়া যাবে আশ্বিনা, বারী-৪ ও গৌরমতি জাতের আম।

এ বিষয়ে গত ১২ মে এক বিভিন্ন জাতের আম সংগ্রহের সময়সীমা নির্ধারণ বৈঠকে নওগাঁ জেলা প্রশাসক আবদুল আউয়াল বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগে কোনোভাবেই অপরিপক্ব আম সংগ্রহ কিংবা বাজারে তোলা যাবে না। তবে সময়ের আগে আবহাওয়ার কারণে আম পরিপক্ব হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী আমচাষিরা তারিখ পুনর্নির্ধারণ করে সময়ের আগে আম সংগ্রহ করতে পারবেন। আমে ভেজাল ঠেকাতে পরিবহনের আগে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় আমের বাজার সাপাহার উপজেলা সদর বাজার, পোরশার নোচনাহার, সারাইগাছিসহ বিভিন্ন বাজারে বিশেষ নজরদারি রাখবে প্রশাসন।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক, আবুল কালাম আজাদ বলছেন, নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে পানির সংকট ও ভালো দাম পাওয়ায় এ জেলায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে আম চাষ। নওগাঁর চেয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জেপ্রায় ৭ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আম চাষ হলেও নওগাঁর আম বাগানগুলো নতুন ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির হওয়ায় ফলন হয় বেশি। তাই আবাদের আয়তনে এ জেলা দ্বিতীয় বৃহত্তম হলেও উৎপাদনে প্রথম রয়েছে নওগাঁ দাবী তাঁর।