ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী বস্তুনিষ্ঠ ও ডেটাভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতেই পরিচালিত হয় প্রকৃত সাংবাদিকতা : তথ্যমন্ত্রী গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক

৪ সাংবাদিক ও ২ ইউপি সদস্যের নামে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

#
news image

বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বাহিরদিয়া ইউনিয়নে ৪ জন সাংবাদিক, একজন বর্তমান এবং একজন সাবেক ইউপি সদস্যের নামে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে বাহিরদিয়া গ্রামের মিজানুর রহমানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। স্থানীয় বাসিন্দা আলম শেখ ও মিজান শেখ মোবাইলে বিষয়টি জানালে সাংবাদিক মোঃ হাফিজুর রহমান ও সাংবাদিক মোঃ মুন্সী আলী আকবর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সেখানে উপস্থিত লিগ্যাল এইড অফিসের কর্মচারী রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অশালীন মন্তব্য করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফকিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন-এর নির্দেশে বাহিরদিয়া ফাঁড়ির এসআই ওহিদুজ্জামান ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি সাংবাদিকদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বললে তারা ফিরে যান। কিন্তু পথিমধ্যে বুড়ির বটতলা এলাকায় রবিউল ইসলাম সহ ৫-৬ জন ব্যক্তি সাংবাদিকদের পথ রোধ করে হামলার চেষ্টা করে। তখন ফকিরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির ও মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।

এ ঘটনার জেরে রবিউল ইসলাম বিচারক মোঃ ইব্রাহিম খলিল মুহিম-এর সহযোগিতায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাংবাদিক মোঃ হুমায়ুন কবির, মোঃ খাবির হোসেন, মোঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ মুন্সী আলী আকবর, বর্তমান ইউপি সদস্য মোঃ জায়েদ হাসান ও সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আলী আহমদ-কে আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনায় জড়িত না থেকেও তাদের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিচারকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একইসাথে অভিযোগ উঠেছে, বিচারকের নাম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

মোঃ হাফিজুর রহমান, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি :

২৭ মে, ২০২৫,  2:33 PM

news image

বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বাহিরদিয়া ইউনিয়নে ৪ জন সাংবাদিক, একজন বর্তমান এবং একজন সাবেক ইউপি সদস্যের নামে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে বাহিরদিয়া গ্রামের মিজানুর রহমানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। স্থানীয় বাসিন্দা আলম শেখ ও মিজান শেখ মোবাইলে বিষয়টি জানালে সাংবাদিক মোঃ হাফিজুর রহমান ও সাংবাদিক মোঃ মুন্সী আলী আকবর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সেখানে উপস্থিত লিগ্যাল এইড অফিসের কর্মচারী রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অশালীন মন্তব্য করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফকিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন-এর নির্দেশে বাহিরদিয়া ফাঁড়ির এসআই ওহিদুজ্জামান ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি সাংবাদিকদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বললে তারা ফিরে যান। কিন্তু পথিমধ্যে বুড়ির বটতলা এলাকায় রবিউল ইসলাম সহ ৫-৬ জন ব্যক্তি সাংবাদিকদের পথ রোধ করে হামলার চেষ্টা করে। তখন ফকিরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির ও মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।

এ ঘটনার জেরে রবিউল ইসলাম বিচারক মোঃ ইব্রাহিম খলিল মুহিম-এর সহযোগিতায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাংবাদিক মোঃ হুমায়ুন কবির, মোঃ খাবির হোসেন, মোঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ মুন্সী আলী আকবর, বর্তমান ইউপি সদস্য মোঃ জায়েদ হাসান ও সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আলী আহমদ-কে আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনায় জড়িত না থেকেও তাদের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিচারকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একইসাথে অভিযোগ উঠেছে, বিচারকের নাম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।