ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

৪ সাংবাদিক ও ২ ইউপি সদস্যের নামে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

#
news image

বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বাহিরদিয়া ইউনিয়নে ৪ জন সাংবাদিক, একজন বর্তমান এবং একজন সাবেক ইউপি সদস্যের নামে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে বাহিরদিয়া গ্রামের মিজানুর রহমানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। স্থানীয় বাসিন্দা আলম শেখ ও মিজান শেখ মোবাইলে বিষয়টি জানালে সাংবাদিক মোঃ হাফিজুর রহমান ও সাংবাদিক মোঃ মুন্সী আলী আকবর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সেখানে উপস্থিত লিগ্যাল এইড অফিসের কর্মচারী রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অশালীন মন্তব্য করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফকিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন-এর নির্দেশে বাহিরদিয়া ফাঁড়ির এসআই ওহিদুজ্জামান ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি সাংবাদিকদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বললে তারা ফিরে যান। কিন্তু পথিমধ্যে বুড়ির বটতলা এলাকায় রবিউল ইসলাম সহ ৫-৬ জন ব্যক্তি সাংবাদিকদের পথ রোধ করে হামলার চেষ্টা করে। তখন ফকিরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির ও মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।

এ ঘটনার জেরে রবিউল ইসলাম বিচারক মোঃ ইব্রাহিম খলিল মুহিম-এর সহযোগিতায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাংবাদিক মোঃ হুমায়ুন কবির, মোঃ খাবির হোসেন, মোঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ মুন্সী আলী আকবর, বর্তমান ইউপি সদস্য মোঃ জায়েদ হাসান ও সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আলী আহমদ-কে আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনায় জড়িত না থেকেও তাদের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিচারকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একইসাথে অভিযোগ উঠেছে, বিচারকের নাম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

মোঃ হাফিজুর রহমান, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি :

২৭ মে, ২০২৫,  2:33 PM

news image

বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বাহিরদিয়া ইউনিয়নে ৪ জন সাংবাদিক, একজন বর্তমান এবং একজন সাবেক ইউপি সদস্যের নামে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে বাহিরদিয়া গ্রামের মিজানুর রহমানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। স্থানীয় বাসিন্দা আলম শেখ ও মিজান শেখ মোবাইলে বিষয়টি জানালে সাংবাদিক মোঃ হাফিজুর রহমান ও সাংবাদিক মোঃ মুন্সী আলী আকবর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সেখানে উপস্থিত লিগ্যাল এইড অফিসের কর্মচারী রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অশালীন মন্তব্য করেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফকিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন-এর নির্দেশে বাহিরদিয়া ফাঁড়ির এসআই ওহিদুজ্জামান ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি সাংবাদিকদের ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বললে তারা ফিরে যান। কিন্তু পথিমধ্যে বুড়ির বটতলা এলাকায় রবিউল ইসলাম সহ ৫-৬ জন ব্যক্তি সাংবাদিকদের পথ রোধ করে হামলার চেষ্টা করে। তখন ফকিরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হুমায়ুন কবির ও মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।

এ ঘটনার জেরে রবিউল ইসলাম বিচারক মোঃ ইব্রাহিম খলিল মুহিম-এর সহযোগিতায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাংবাদিক মোঃ হুমায়ুন কবির, মোঃ খাবির হোসেন, মোঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ মুন্সী আলী আকবর, বর্তমান ইউপি সদস্য মোঃ জায়েদ হাসান ও সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আলী আহমদ-কে আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, ঘটনায় জড়িত না থেকেও তাদের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিচারকের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একইসাথে অভিযোগ উঠেছে, বিচারকের নাম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।