ঢাকা ২৫ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বিএনপির নেতা সোহেল রানার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী একটা সুন্দর স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে চাই : সিইসি ঈদুল আযহায় বায়তুল মোকাররমে ৫টি জামাত শিক্ষার্থীদের স্বদেশ প্রেম চর্চার পাশাপাশি ইতিহাস জানা জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিমান বাহিনী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্ট অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্তি ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ আলবানিজের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করল যুক্তরাষ্ট্র ১০০ কোটি ডলার ক্রয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ফটিকছড়িতে হেলে পড়েছে সাত তলা ভবনঃ বড় দূর্ঘটনার আশঙ্কা

#
news image

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বিবিরহাটে ৭তলা একটি ভবন হেলে পড়ে পাশের একটি ছয়তলা ভবনের গায়ে ঠেকেছে।যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কায় দিনাতিপাত করছে এলাকাবাসী।

জানা যায়, ফটিকছড়ি উপজেলা সদরে প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সামনেই বিএস ৭৮৫৫ নং দাগের উপর নির্মিত এই ভবন।৫-৬ বছর আগে সাত শতক জমির উপর ভবনটি নির্মাণ করেন আব্দুল খালেক।

২০১৯ সালে পৌর কর্তৃপক্ষের সাথে আঁতাত করে ছয় তলা ভবনের অনুমোদন নেন কিন্তু তিনি সেখানে সাত তলা ভবন নির্মাণ করেন।ভবনটি নির্মাণের প্রথম দিকে ৩-৪ ইঞ্চি হেলে পড়ে এবং এলাকাবাসী মৌখিকভাবে পৌর কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোনো পদক্ষেপ নেননি।ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনটিতে কমপক্ষে ১৮-২০টি পরিবার বাস করে।ভবনের পাশের এক বাসিন্দা বলেন, ভবনটি প্রায় ১৮-২০ ইঞ্চি ঝুঁকে পড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটিতে অনেক লোক থাকলেও এখনও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।ফটিকছড়ি পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী রাজীব বড়ুয়া বলেন ভবনটির ছয় তলার অনুমোদন আছে। পরে অন্যায়ভাবে তিনি সাত তলা করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কনস্লাটিং প্রতিষ্ঠান থেকে ‘ঝুঁকিমুক্ত’ সনদ দিতে বলা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ভবনটির মালিক মো. আবদুল খালেকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। তার মুঠোফোনে কল দিলেও বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে ভবনটির তত্বাবধান করেন স্বজন মো. নেজাম উদ্দিন বুলবুল। তিনিও কোনো কথা বলতে রাজি হননি। 

ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো.কামাল উদ্দিন বলেন, জেনেছি ভবনটি কিঞ্চিৎ হেলে পড়েছে।যেহেতু এখনো কোনো স্ট্রাকচারাল ক্ষতি হয়নি, তাই বাসিন্দারা এখনো আছে। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এবিষয়ে বলেন, ‘ঠিক কী কারণে ভবনটি হেলেছে, সে বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। ভবনের বাসিন্দাদের কেউ বলছেন, আগে থেকেই খানিকটা হেলে ছিল। কেউ বলছেন,  ইদানিং এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।

ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে মূল্যবান জীবন ও ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচাতে প্রশাসনকে আহবান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

কামাল উদ্দীন চৌধুরী, ফটিকছড়িঃ

২১ মে, ২০২৫,  8:04 PM

news image

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বিবিরহাটে ৭তলা একটি ভবন হেলে পড়ে পাশের একটি ছয়তলা ভবনের গায়ে ঠেকেছে।যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশঙ্কায় দিনাতিপাত করছে এলাকাবাসী।

জানা যায়, ফটিকছড়ি উপজেলা সদরে প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সামনেই বিএস ৭৮৫৫ নং দাগের উপর নির্মিত এই ভবন।৫-৬ বছর আগে সাত শতক জমির উপর ভবনটি নির্মাণ করেন আব্দুল খালেক।

২০১৯ সালে পৌর কর্তৃপক্ষের সাথে আঁতাত করে ছয় তলা ভবনের অনুমোদন নেন কিন্তু তিনি সেখানে সাত তলা ভবন নির্মাণ করেন।ভবনটি নির্মাণের প্রথম দিকে ৩-৪ ইঞ্চি হেলে পড়ে এবং এলাকাবাসী মৌখিকভাবে পৌর কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোনো পদক্ষেপ নেননি।ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনটিতে কমপক্ষে ১৮-২০টি পরিবার বাস করে।ভবনের পাশের এক বাসিন্দা বলেন, ভবনটি প্রায় ১৮-২০ ইঞ্চি ঝুঁকে পড়ছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটিতে অনেক লোক থাকলেও এখনও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।ফটিকছড়ি পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত প্রকৌশলী রাজীব বড়ুয়া বলেন ভবনটির ছয় তলার অনুমোদন আছে। পরে অন্যায়ভাবে তিনি সাত তলা করেছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কনস্লাটিং প্রতিষ্ঠান থেকে ‘ঝুঁকিমুক্ত’ সনদ দিতে বলা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ভবনটির মালিক মো. আবদুল খালেকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। তার মুঠোফোনে কল দিলেও বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে ভবনটির তত্বাবধান করেন স্বজন মো. নেজাম উদ্দিন বুলবুল। তিনিও কোনো কথা বলতে রাজি হননি। 

ফটিকছড়ি ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো.কামাল উদ্দিন বলেন, জেনেছি ভবনটি কিঞ্চিৎ হেলে পড়েছে।যেহেতু এখনো কোনো স্ট্রাকচারাল ক্ষতি হয়নি, তাই বাসিন্দারা এখনো আছে। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এবিষয়ে বলেন, ‘ঠিক কী কারণে ভবনটি হেলেছে, সে বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। ভবনের বাসিন্দাদের কেউ বলছেন, আগে থেকেই খানিকটা হেলে ছিল। কেউ বলছেন,  ইদানিং এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা বিষয়টি দ্রুত খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।

ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে মূল্যবান জীবন ও ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচাতে প্রশাসনকে আহবান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।